SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon খেলার সময়

আপডেট- ০৯-০১-২০১৮ ০৩:০১:৫০

ভুলতে চাওয়ার মতো একটি অ্যাশেজ পার করলো ইংল্যান্ড

ashes

আরো একটি ব্যর্থ অ্যাশেজ পার করলো ইংল্যান্ড। পাঁচ ম্যাচের সিরিজে, এ নিয়ে ১২ বারের মত কোন ম্যাচ না জিতেই আসর শেষ করলো থ্রি লায়নরা। শুধু তাই নয় গোটা সিরিজে ব্যাটিং ও বোলিং দুই বিভাগেই ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন ইংলিশ ক্রিকেটাররা।

নিশ্চিতভাবেই এই অ্যাশজটিকে ভুলে যেতে চাইবে ইংল্যান্ড। অবশ্য মনে রাখার মতোও কোন কারণ নেই। গোটা সিরিজে হতাশার জন্ম দিয়ে দুই বার ইনিংস ব্যবধানে হেরেছে থ্রি লায়নরা। বাকি তিন ম্যাচের দু'টিতে এমন লজ্জা এড়ালেও, অ্যাডিলেড আর ব্রিজবেন টেস্টে হারের ব্যবধানটাও তাদের নেহায়েত কম ছিলো না।

এমন বিভীষিকাময় সিরিজ এর আগেও পার করেছে ইংল্যান্ড। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে গিয়ে জয় বঞ্চিত থাকার রেকর্ডটা তাদের ছিল একাদশের ঘরে। শুধু অ্যাশেজ নয়, ঘরের বাইরে খেলা সবশেষ ১১ টেস্টের ৯ টিতেই হারের তিক্ততা পেতে হয়েছে রুট বাহিনীকে।

ব্যাট হাতে সদ্য সমাপ্ত টেস্টে ছড়ি ঘুরিয়েছেন অজি ব্যাটাররা। যেখানে ৭ ইনিংসে প্রায় ১ শ সাড়ে ৩৭ গড়ে ৬৮৭ রান তুলেছেন স্টিভেন স্মিথ। গোটা সিরিজে ৩টি সেঞ্চুরি ছাড়াও দুটি ফিফটি পেয়েছেন অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক। দুই সেঞ্চুরিতে ৪৪৫ রান নিয়ে এর পরই আছেন শন মার্শ। তার চেয়ে চার রান কম নিয়ে তৃতীয় স্থানটি ডেভিড ওয়ার্নারের দখলে। শীর্ষ পাঁচের বাকি দুই রান সংগ্রাহক ইংল্যান্ডের জো রুট এবং অ্যালিস্টার কুক।

ব্যাটিংয়ের মত বোলিংয়েও গোটা সিরিজ জুড়েই প্রভাব ছিল অস্ট্রেলিয়ানদের। সেরা পাঁচের প্রথম চার জনই যেখানে স্বাগতিক দলের। এবারের অ্যাশেজে বল হাতে ২৩ উইকেট শিকার করেছেন প্যাট কামিন্স। তার চেয়ে এক উইকেট কম নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে মিচেল স্টার্ক। এই অজি পেসার অবশ্য একটি ম্যাচও কম খেলেছেন কামিন্সের থেকে। সমান ২১ উইকেট নিয়ে এর পরের দুই অবস্থানে আছেন যথাক্রমে হ্যাজলউড ও মিচেল স্টার্ক। শীর্ষ পাঁচের শেষ বোলারটি হলেন জেমস অ্যান্ডারসন।

দুর্দান্ত জয়ের পর স্টিভেন স্মিথ বলেন, 'আমরা গোটা সিরিজ জুড়েই দাপট দেখিয়েছি, এটা নি:সন্দেহে ভালো। তবে ইংল্যান্ড কিন্তু এতটা খারাপ খেলেনি। ওরাও আমাদের পরীক্ষা নিয়েছে। তবে দিন শেষে আমরা জিতেছি। আমাদের একটি পরিকল্পণা ছিল। যেটা আমরা সময় মত প্রয়োগ করেছি।'

এদিকে ইংলিশ পেসার জেমস এন্ডারসন বলেন, 'আমরা ৪-০ ব্যবধানে সিরিজ হেরেছি। তার মানে এই নয় যে আমরা খুব বাজে খেলেছি। কিছু ম্যাচ আমাদের নিয়ন্ত্রণে ছিলো। কিন্তু সময় মতো আমরা তা নিয়ন্ত্রণে নিতে পারিনি। সেটা যদি পারতাম ফলাফল অন্যরকম হতেও পারতো।'

প্রায় চার মাসের এই সফরে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আরো পাঁচটি ওয়ানডে খেলবে ইংল্যান্ড। এরপর নিউজিল্যান্ডসহ একটি ট্রাইনেশন টি-২০ সিরিজে অংশ নেবে থ্রি লায়নরা।