SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon মহানগর সময়

আপডেট- ২২-০৮-২০১৫ ০৭:৫৯:৫৭

শিক্ষকদের টাকা লুটের ঘটনায় শনাক্ত ১

fake-bill-jpg-eeeeeeee

স্বাক্ষর জাল ও ভুয়া বিল তৈরি করে শিক্ষকদের নামে বরাদ্দকৃত টাকা হাতিয়ে নিয়েছে রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডের অসাধু কিছু কর্মকর্তা। বিষয়টি ফাঁস হলে চক্রটিকে শনাক্ত করতে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এর মধ্যে একজনকে শনাক্ত করতে পারলেও বাকিদের বিষয়ে কোন কূলকিনারা করতে পারেনি তদন্ত কমিটি। এ ধরনের ঘটনা যাতে আর না ঘটে সে ব্যাপারে সতর্কতার কথা জানালেন শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান।

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার খাতা দেখা বাবদ বোর্ড থেকে শিক্ষকদের সম্মানী ভাতা দেয়া হয়। কিন্তু রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের কিছু অসাধু কর্মকর্তা কর্মচারী ভুয়া বিল তৈরি করে শিক্ষকদের নামে বরাদ্দকৃত টাকা কয়েক বছর ধরে আত্মসাৎ করে আসছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

সম্প্রতি ৪০টি চেকের স্বাক্ষর জাল করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিতে গিয়ে ফেঁসে গেছে চক্রটি। যাদের নামে ভুয়া এসব বিল করা হতো তাদের অনেকে এখন চাকরিতে নেই, এছাড়া অনেকে শিক্ষকও নয়।  

ঘটনা তদন্তে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক সামসুল কালাম আজাদকে প্রধান করে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই বিষয়ে রাজশাহী শিক্ষাবোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক সামসুল কালাম আজাদ বলেন, 'যেহেতু সে সরাসরি স্বীকার করেছে কিন্তু কারো নাম সে বলে নাই। কেউ এর মধ্যে ছিল না কিন্তু চেক জালিয়াতি হয়ে গেল এটাতো হতে পারে না।'

এদিকে, বোর্ডে অস্থায়ী ভিত্তিতে চাকুরী করা এক কর্মচারীর চেক জালিয়াতির সাথে জড়িত থাকার প্রমাণ পেয়েছে গঠিত তদন্ত কমিটি। ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি না হলেও মুঠোফোনে বোর্ডের অনেকে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন তিনি।

এ অবস্থায়, ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের ঘটনা না ঘটে সেজন্য সর্তক থাকার কথা জানালেন রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. আবুল হায়াত।

তিনি বলেন, 'তদন্ত কমিটির আলোকে যে সুপারিশ তারা করবে সে অনুসারে আমরা ব্যবস্থা নেব। আর আগামীতে যেন এ ধরনের চেক জালিয়াতি না হয় তার জন্য কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।'

শিক্ষাবোর্ডের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গত এক বছরে স্বাক্ষর জাল করে প্রায় পাঁচ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে অসাধু এই চক্রটি।