SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon মহানগর সময়

আপডেট- ২৮-০১-২০২১ ১৫:৩০:০৯

‘আওয়ামী লীগ প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল না’

bnp

অন্তর্দ্বন্দ্ব এড়িয়ে মাঠে টিকে থাকতে না পারাই মেয়র পদে বিএনপি প্রার্থী ডাক্তার শাহাদাত হোসেনের পরাজয়ের অন্যতম কারণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর পক্ষে কেন্দ্রীয় নেতারা প্রচারণা চালালেও বিএনপির পক্ষে কেউ আসেনি। এমনকি নগর বিএনপির বিবদমান গ্রুপগুলোকেও ঐক্যবদ্ধ করতে ব্যর্থ হন ডাক্তার শাহাদাত।

তবে শাহাদাত হোসেন বলেন, প্রশাসনযন্ত্র পুরোপুরি আওয়ামীযন্ত্রে পরিণত হয়েছে এবং সেখানে তারাই আমার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল। মূলত আওয়ামী লীগ আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল না।  

বৃহস্পতিবার (২৮ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের পর সময় সংবাদের কাছে তাদের মতামত তুলে ধরেন।

মাত্র ২২ দশমিকের কিছু বেশি ভোট পড়া চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী ডাক্তার শাহাদাত হোসেন পেয়েছেন মাত্র ৫২ হাজার ৪৮৯ ভোট। অথচ নগরীর ৪টি আসন নিয়ে গঠিত সিটি করপোরেশন এলাকা বিএনপির দুর্গ হিসাবেই পরিচিত। এমনিতেই নগর বিএনপির রাজনীতি চারটি ধারায় বিভক্ত। বিবদমান গ্রুপগুলোর শীর্ষ নেতাদের কাউকেই ভোটের মাঠে দেখা যায়নি। যা ব্যালটে প্রভাব ফেলেছে বলে মত এ বিশ্লেষকের।

চট্টগ্রামের সনাকের সাবেক সভাপতি প্রকৌশলী দেলোয়ার হোসেন মজুমদার বলেন, ভোটারদেরকে সংগঠিত করে ভোট কেন্দ্রে আনার এবং নির্বাচনকে তাদের পক্ষে আনার চেষ্টা বিএনপির পক্ষ থেকে ছিল না।

এবারের নির্বাচনের ৪১টি ওয়ার্ডের মধ্যে প্রতিটিতেই আওয়ামী লীগের একাধিক কাউন্সিলর প্রার্থী। সেক্ষেত্রে একক প্রার্থী দিয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে ছিল বিএনপি। তবে দলটির কাউন্সিলর প্রার্থীরা নিজেদের নিয়ে ব্যস্ত থাকায় ভোটারদের কেন্দ্রে আনার প্রতি তেমন আগ্রহ ছিল না।

বিএনপির নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট আবদুস সাত্তার বলেন, আমাদের পরিবেশ সুষ্ঠু ছিল না যার কারণে সাধারণ ভোটারা কেন্দ্রে আসে নাই। আমরা আনতে পারিনি এটা সঠিক না। গেলেও যে ফল হবে না গেলেও না ফল হবে সবাই জানে।

তবে দলীয় নেতা-কর্মীদের মাঠে নামাতে না পারাকে নির্বাচনের হারার কারণ হিসাবে দেখছেন না ডাক্তার শাহাদাত। ক্ষমতাসীন প্রশাসনই তার বিজয় ছিনিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগ তার।

নগর বিএনপির কর্মী সমর্থকরা স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, উপদেষ্টা আবদুল্লাহ আল নোমান, সাবেক মন্ত্রী মীর নাসির এবং বর্তমান আহবায়ক ডাক্তার শাহাদাত হোসেনের নেতৃত্বে বিভক্ত। অঙ্গ সংগঠনগুলোর রয়েছে নানা শাখা- উপশাখা।