SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon মহানগর সময়

আপডেট- ২৩-০১-২০২১ ১২:৫১:৪৮

দেশে করোনার প্রথম টিকা পাবেন এক নার্স

tika

বাংলাদেশে প্রথম করোনাভাইরাসের টিকা ২৭ জানুয়ারি রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে দেওয়া হবে বলে আগেই জানানো হয়েছিল। এবার জানানো হলো কে পাচ্ছেন প্রথম টিকা। 

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. আবদুল মান্নান জানান, বাংলাদেশে প্রথম টিকা পাবেন একজন নার্স। ২৭ জানুয়ারি কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নার্সকে টিকা দেওয়ার মাধ্যমে টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তৃতা দেবেন। শনিবার (২৩ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় কিডনি ইনষ্টিটিউট এবং হাসপাতালের চিকিৎসক, কর্মকর্তা, কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে এ তথ্য জানান সচিব।

এর আগে বুধবার (২০ জানুয়ারি) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় করোনার টিকা সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরে স্বাস্থ্য সচিব মো. আবদুল মান্নান গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, প্রথম দিন কুর্মিটোলা হাসপাতালে ফ্রন্টলাইনারসহ ২৫ জনকে টিকা দেওয়া হবে। তাদের মধ্যে ফ্রন্টলাইনে যারা কাজ করছেন তারা ছাড়াও শিক্ষক, মুক্তিযোদ্ধা, সেনাবাহিনী, পুলিশ, সিভিল প্রশাসন ও গণমাধ্যম কর্মীদের প্রতিনিধি থাকবেন। 

ভারত সরকারের পাঠানো উপহারের কোভিড টিকার ২০ লাখ ডোজ এখন রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ইপিআই স্টোরেজে। দুয়েকদিনের মধ্যেই দেশে আসার কথা সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে কেনা ৫০ লাখ ডোজের চালান। এর বাইরে রাজধানীর চারটি হাসপাতালে প্রাথমিকভাবে যে ৪০০ থেকে ৫০০ জনকে টিকা দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে, সেটিও ২৮ কিংবা ২৯ জানুয়ারি দেয়া হবে বলে জানান স্বাস্থ্য সচিব। আর সারাদেশে টিকা দেয়া শুরুর পরিকল্পনা রয়েছে ফ্রেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে।

সরকারের কোভিড টিকা বিতরণ পরিকল্পনা অনুযায়ী, ঢাকায় ইপিআই স্টোরেজে রাখা টিকা প্রথমে পাঠানো হবে বিভিন্ন জেলা ইপিআই স্টোরে। পরে সেখানে থেকে উপজেলা স্টোর হয়ে পাঠানো হবে টিকাকেন্দ্রে।

এর আগে হাসপাতালের বাইরে কেন্দ্র হবে না জানিয়ে মো. আবদুল মান্নান বলেছিলেন, হাসপাতালের বাইরে কোনো কেন্দ্র হবে না, কারণ সবাইকে পর্যবেক্ষণে রাখা হবে। ভ্যাকসিন নেওয়া সবাই টেলিমেডিসিনের আওতায় থাকবে।

তিনি বলেন, প্রতিদিন ভ্যাকসিন বুলেটিন প্রচার করা হবে। প্রতি টিমে দুজন ভ্যাকসিনেটর ও চারজন স্বেচ্ছাসেবক থাকবেন, যাদের ভ্যাকসিন দেওয়া হবে তাদের টেলিমেডিসিন সুবিধা দেওয়া হবে। রাখা হবে ফলোআপে।

এদিকে সোমবার (১৮ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে জাহিদ মালেক বলেছিলেন, বেসরকারি পর্যায়ে আমদানি ও টিকাদানের ব্যবস্থা রাখা হবে। সেক্ষেত্রে টিকার দাম সরকার নির্ধারণ করে দেবে। এর নীতিমালাও তৈরির প্রক্রিয়া চলছে।