SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon বাংলার সময়

আপডেট- ২০-০১-২০২১ ১১:৪৭:৫৪

খাল দখল করে দোকান, রাস্তায় বাড়ির কলাম তুললেন ট্রাফিক সার্জেন্ট

police

পটুয়াখালীর বাউফলের কালাইয়াও দশমিনা উপজেলার ল্যাংড়া মুন্সির পুল এলাকায় একমাত্র খাল দখল করে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও বাড়ি নির্মাণে অভিযোগ উঠেছে ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট নাঈমের বিরুদ্ধে।

ঘটনাটি স্থানীয়রা উপজেলা সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) অবহিত করলেও তা বন্ধ হয়নি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, কালাইয়া দাশপাড়া খালের সংযোগকারী ব্রিজটির কোলঘেঁষেই নির্মাণ করা হচ্ছে একাধিক দোকান ঘর ও ভবন। নির্মাণকাজ যাতে বাইরে থেকে দেখতে না পারে সে জন্য পলিথিন ও চট দিয়ে বেড়া দেওয়া হয়েছে। কাজের তদারকি করছেন সার্জেন্টের স্ত্রী। খালের মধ্যে বেইজ কলম নির্মাণকাজ প্রায় শেষের পথে। ইতোমধ্যেই দশমিনা কালাইয়া অঞ্চলের নৌপথে ছোট বড় যানবাহন চলাচলে সমস্যা হচ্ছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছে মালামাল আনা-নেওয়া করা ব্যবসায়ীরা।

দাসপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, সার্জেন্ট নাঈম শুধু খালই দখল করেননি, সরকারি রাস্তাও দখল করে বাড়ি নির্মাণ করেছেন।

স্থানীয়রা জানান, তার জমির চেয়ে বেশি অংশ খালের মধ্যে দখল করে নিয়ে কাজ করছেন। তিনি পুলিশে চাকরি করায় ভয়ে কেউ মুখ খুলছে না।

এলজিইডি বাউফল উপপ্রকৌশলী আব্বাস উদ্দিন জানান, ওই ট্রাফিক সার্জেন্টের ভবনে একাধিক কলাম (খুঁটি) মূল সড়কের মধ্যে চলে আসছে। বাউফল উপজেলার কালাইয়া থেকে দাশপাড়া হয়ে লোহালিয়া পর্যন্ত ১৮ ফুটের রাস্তার কাজ শুরু হলে তার ভবনের বেশকিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাকে রাস্তা রেখে কাজ করতে বলা হয়েছে।

বরিশাল শহরে কর্মরত ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট নাঈম বলেন, আমি কোনও সরকারি রাস্তা ও খাল দখল করে বাড়ি নির্মাণ করছি না। আমার পৈতৃক ভিটায় বাড়ি নির্মাণ করছি।

এ প্রসঙ্গে বাউফলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) আনিচুর রহমান বালি বলেন, ওই পুলিশ সদস্য ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন এবং দ্রুত সময়ে খালের মধ্যে গাইড ওয়াল ভেঙে ফেলবেন বলে জানিয়েছেন।