SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon বাংলার সময়

আপডেট- ০৩-১২-২০২০ ১২:২৩:১৩

ভারতের ১৭ জেলেকে জেলহাজতে পাঠানো হচ্ছে

mong

দেশীয় জলসীমায় অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ করে মাছ শিকারের অপরাধে ভারতের ১৭ জেলেকে আটকের পর তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হবে।

বৃহস্পতিবার (৩ ডিসেম্বর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মোংলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মো. ইকবাল বাহার চৌধুরী।

তারা হলেন: গুবীবাস দাশের ছেলে সুজন দাশ (৪৪), রাখাল দাশের ছেলে কাকন দাশ (৩২), মৃত. অমূল্য বিশ্বাসের ছেলে অমল বিশ্বাস (৪৫), অনিল দাশের ছেলে পরিতি দাশ (৪০), হরিকমল দাশের ছেলে তপন দাশ (২৭), মৃত. কিরন দাশের ছেলে সঞ্জয় দাশ (৩৩), গুরুপদ বিশ্বাসের ছেলে মধুসুধন বিশ্বাস (৩৩), সুখলাল দাশের ছেলে সুরেশ দাশ ওরফে সুরজিত (২৪), যতিন্দ্র দাশের ছেলে রাজু দাশ (৩০), তামৃধর দাশের ছেলে মৃনাল দাশ (২৪), সন্তোষ কুমার দাশের ছেলে অয় দাশ (৩০), রাজেশ্বর দাশের ছেলে রাম দাশ (২৯), সুখরঞ্জন দাশের চেলে সুরজিত দাশ (১৯), মৃত হরিদাশর ছেলে কৃষ্ণ দাশ (৩৯), মৃত. ভগিরত মাইতির ছেলে নিরঞ্জন মাইতি (৪৫), মৃত গুনধর বররে ছেলে বিষ্ণুপদ বর (৬০) ও  মনোরঞ্জন বাড়ইর ছেলে বিচিত্র বাড়ই (৩০)। ১৭ জেলের বিরুদ্ধে কোস্টগার্ড সদস্য এম এ রহমান বাদী হয়ে ১০৮৩ সালের অধ্যাদেশ ২২ ধারায় সমুদ্রসীমায় অবৈধভাবে প্রবেশ করে মাছ শিকারের অপরাধে মামলা দায়ের করেন।

বুধবার (২ ডিসেম্বর) ভোরে সাগরের ফেয়ারওয়ে বয়া এলাকা থেকে তাদের আটক করে কোস্টগার্ড মোংলা সদর দফতর (পশ্চিম জোন)। আটক ভারতীয় জেলেদের বাড়ি ভারতের দক্ষিণ-চব্বিশ পরগনা জেলার বিভিন্ন এলাকায় বলে জানা গেছে। বিকেলে মোংলা সদর দফতর (পশ্চিম জোন) কোস্টগার্ডের অপারেশন কর্মকর্তা লে. শাহারিয়ার আলম এসব তথ্য জানান।
 
এ সময় জেলেদের ব্যবহৃত ‘এফ বি মা শিবানী’ নামে একটি ট্রলারও জব্দ করা হয়। ট্রলার থেকে উদ্ধার করা হয় প্রায় এক হাজার কেজির বেশি বিভিন্ন প্রজাতির সামুদ্রিক মাছ।

ওইসব মাছ  নিলামে বিক্রি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।