SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon আন্তর্জাতিক সময়

আপডেট- ০১-১২-২০২০ ১৯:০১:২৮

ক্ষমা চাইবে না চীন

aus-nz

আফগানিস্তানে অস্ট্রেলিয়ার সেনা এক আফগান শিশুকে হত্যা করছে এমন এক বিতর্কিত ছবি প্রকাশ করাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত বেইজিং-ক্যানবেরা’র সম্পর্ক। ওই ছবিকে বিতর্কিত, ভুয়া আখ্যা দিয়ে বেইজিংকে ক্ষমা চাইতে বলে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন। তার এমন বক্তব্যের কঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে চীন।

অস্ট্রেলিয়ার চীনা দূতাবাসের পক্ষ থেকে ক্ষমা না চেয়ে পাল্টা আক্রমণ করা হল।

মঙ্গলবার (০১ ডিসেম্বর) দূতাবাসের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘এই অভিযোগের পেছনে দুটি উদ্দেশ্য রয়েছে। প্রথমত অস্ট্রেলিয়ার কিছু সেনাসদস্যের নৃশংস কর্মকাণ্ড থেকে মানুষের দৃষ্টি অন্যদিকে সরিয়ে নেওয়া। অন্যটি, দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্কের অবনতির জন্য চীনকে দায়ী করা। সেই সঙ্গে দেশের ভেতর জাতীয়তাবাদকে উস্কে দেওয়ার চেষ্টা হতে পারে এটি।’

আরো পড়ুন: আফগানিস্তানে গণহত্যা: চীনকে ক্ষমা চাইতে বলল অস্ট্রেলিয়া

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিজিয়ান ঝাও তাঁর অফিশিয়াল টুইটার অ্যাকাউন্টে সোমবার (৩০ নভেম্বর) একটি ছবি পোস্ট করেন। ছবিতে দেখা যায়, অস্ট্রেলিয়ান ওই সেনা এক আফগান শিশুর গলায় রক্তমাখা ছুরি ধরা। এরপরই একে ভুয়া ছবি অ্যাখা দিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে অস্ট্রেলিয়া। এ ঘটনাকে ‘অপমানজনক’ বলেন মরিসন।

চীন জানায়, আফগানিস্তানে অস্ট্রেলিয়ার সেনারা যে অপরাধ করেছেন, দেশটির বিচারের মুখোমুখি হওয়া উচিত। অপরাধীদের জবাবদিহি করার পাশাপাশি ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার পাওয়া নিশ্চিত করতে হবে।

দুই দেশের এমন তিক্ত সম্পর্কে গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জাসিন্ডা আরডার্ন। চীনের পক্ষ থেকে এমন ছবি প্রকাশ করায় হতাশা ব্যক্ত করেন। 

আরো পড়ুন; আফগানিস্তানে গণহত্যায় জড়িত ১৩ অস্ট্রেলীয় সেনা বরখাস্ত

আফগান যুদ্ধের সময় অস্ট্রেলিয়ার সেনাদের অসদাচরণের বিষয়ে চার বছরের তদন্ত শেষে সম্প্রতি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে অস্ট্রেলিয়ান ডিফেন্স ফোর্স - এডিএফ। সেখানে অস্ট্রেলিয়ার সেনাদের হাতে আফগানিস্তানে ৩৯ জন নিরীহ মানুষকে হত্যার প্রমাণ মিলে। এর জেরে অস্ট্রেলিয়ার বিশেষ বাহিনীর ১৩ সদস্যকে বরাখাস্ত করার কথা জানায় দেশটির সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ২০০৯ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ওইসব হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়।