SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon মহানগর সময়

আপডেট- ২৮-১১-২০২০ ১৮:৩৩:৫৫

প্লট বাণিজ্য থেকে সোনা চোরাচালান, গোল্ডেন মনিরের বিচরণ সবখানে!

monir-update

রাজউক কর্মকর্তাদের ঘুষ দিয়ে গোল্ডেন মনির প্লট বাণিজ্য করতেন বলে প্রমাণ পেয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ। সোনা চোরাচালানে কাস্টমসের কেউ জড়িত কিনা তাও তদন্ত করছে তারা। শনিবার (২৮ নভেম্বর) সকালে এক ব্রিফিং-এ এ তথ্য জানায় পুলিশ।

তিন মামলার বাইরেও তার অপরাধের বিভিন্ন তথ্য মিলছে। তদন্ত শেষ করে দ্রুত অভিযোগপত্র দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মাহবুব আলম।

রূপকথা কিংবা সিনেমার গল্প। গোল্ডেন মনির একটা চরিত্র হতেই পারেন। সোনা চোরাচালান থেকে রাজউকের প্লট বাগিয়ে নেওয়া। সব জায়গায় ছিল তার বিচরণ।

গোল্ডেন মনিরের বিরুদ্ধে ৩ টি মামলার তদন্তের দায়িত্ব পায় গোয়েন্দা পুলিশ। তাদের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে একের পর এক মিলছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। মামলার বাইরেও বিভিন্ন অপরাধের তথ্য উঠে আসছে। সেগুলো যাচাই করে তথ্য দিয়ে দুদক বা সংস্থাগুলোকে সহযোগিতা করতে চায় গোয়েন্দা পুলিশ।

ডিবির যুগ্ম কমিশনার মাহবুব আলম বলেন, আমরা অতিদ্রুতই মামলাগুলোর তদন্ত শেষ করে চার্জশিট দাখিল করব। ওর কাছ থেকে যে তথ্যগুলো আমরা পাচ্ছি সেগুলো আমরা অন্য সংস্থার সাথে শেয়ার করব। 

প্লট বাগিয়ে নিতে রাজউক কর্মকর্তাদের সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলেন মনির। কিছু অসাধু কর্মকর্তার জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া যাচ্ছে জিজ্ঞাসাবাদে। একইসঙ্গে সোনা চোরাচালানে কাস্টমসের কেউ জড়িত আছে কিনা সেটাও তদন্তে বেরিয়ে আসবে বলে জানান, এ গোয়েন্দা কর্মকর্তা।

 তিনি আরো বলেন, ২৫-৩০ টা প্লট তার নামে/বেনামে এখনো আছে। এছাড়া অনেকগুলো প্লট সে বিক্রি করে ফেলেছে। এগুলো করতে গিয়ে সে অবৈধভাবে বিভিন্ন সংস্থার বিশেষ করে রাজউকের অনেককে তিনি ঘুষ দিয়েছেন। 

গোল্ডেন মনিরের গডফাদার কে? বা কাদের ছত্রছায়ায় তিনি অপকর্ম করতেন। এ নিয়ে তথ্য পেলেও সেটা বলতে নারাজ পুলিশ।