SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon খেলার সময়

আপডেট- ২৮-১১-২০২০ ১০:২৭:৫১

অব্যবস্থাপনায় জর্জরিত জুনিয়র অ্যাথলেটিকসের আয়োজন

ath-problem

নানা অব্যবস্থাপনায় জর্জরিত ৩৬তম জাতীয় জুনিয়র অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতা। আসরে সারাদেশ থেকে পাঁচ শতাধিক অ্যাথলিট অংশ নিলেও, কারোরই করা হয়নি করোনা টেস্ট। খুদে অ্যাথলিটদের অভিযোগ, তাদের দেওয়া হয়নি কোনো পার্টিসিপেশন মানি ও আবাসিক সুবিধা। অনেক জেলা থেকে আসরে অংশ নিতে এসেছেন মাত্র একজন অ্যাথলিট। 

আসরের শুরুতেই খুদে অ্যাথলিটদের নানা অভিযোগ। জার্সি নেই, টাকা নেই। এমন অভিযোগই বুঝিয়ে দেয়, ক্যারিয়ারের শুরুতে কতটা হতাশ তারা। নিজেদের পকেটের অর্থ নিয়ে বাবা মায়ের সঙ্গে এসেছেন। থাকা-খাওয়ার খরচ তো বটেই। টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়ার জন্য পাননি কোনো পার্টিসিপেশন মানি।

এর আগে করোনার মাঝেই মশাল হাতে শুরু হয় ৩৬ তম জাতীয় জুনিয়র অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতা। তবে বরাবরের মতোই ছিল নানা অব্যবস্থাপনা। ৫২টি জেলা থেকে অ্যাথলিটরা এলেও বেশকিছু জেলা থেকে এসেছে মাত্র একজন অ্যাথলিট। বছরের পর বছর সরকারের আর্থিক বরাদ্দ তাহলে কোথায় যাচ্ছে? এ প্রশ্ন থেকেই যায়।

ইভেন্ট শুরুর ৭২ ঘণ্টা আগে সব অ্যাথলিটদের করোনা টেস্ট করানোর কথা থাকলেও, ৫ শতাধিক অ্যাথলিটের কারোরই করানো হয়নি কোনো করোনা টেস্ট। মাঠে দেখা যায়নি কোনো ডিজিটাল ইলেকট্রনিক টাইমার।

অ্যাথলিটরা অভিযোগ করেন, এখানে অংশ নেওয়া কাউকেই করোনা টেস্ট করানো হয়নি, যা আমাদের জন্য বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। 

ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদককে প্রশ্ন করলেও তিনি যেন দায় এড়ালেন।

সাধারণ সম্পাদক আবদুর রকিব মন্টু বলেন, অ্যাথলেটিকসে সুবিধা না বাড়িয়ে এমন আয়োজনে কী কারণে বিভাগীয়-জেলা পর্যায়ে খেলা চালাচ্ছেন সেটা বোধগম্য। যারা মানদণ্ড নির্ধারণ করে তাদের আমরা থাকা-খাওয়ার টাকা দেই।' 

এ ছাড়া বরাবরের মতো এবারেরও নিম্নমানের ট্রাকে খেলা আয়োজন নিয়ে ছিল অ্যাথলিটদের অসন্তোষ।