SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon বাংলার সময়

আপডেট- ০৯-০৪-২০২০ ০৯:৫৬:১০

তরমুজ নিয়ে বিপাকে চাষিরা

bho-watermelon

করোণার প্রভাবে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছেন ভোলার তরমুজ চাষিরা। কয়েক কোটি টাকার তরমুজ নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা। ঢাকা চট্টগ্রামের মোকাম বন্ধ, ক্রেতা নেই, তাই ক্ষেতেই পচার উপক্রম কয়েক হাজার হেক্টর জমির তরমুজ। তবে চাষিদের প্রণোদনা দেয়ার আশ্বাস দিয়েছে কৃষি বিভাগ।

চরফ্যাশনের নজরুল নগরের মো. ইউসুফ। ৩ লাখ টাকা খরচ করে ৫ একর জমিতে তরজুম চাষ করেছেন। বাপ, ছেলে ভাই সহ ৪ জন গায়ে গতরে খেটেছেন তিনমাস। কাটার সময় পার হওয়ার পরও ক্রেতার অভাবে ক্ষেতেই পড়ে আছে প্রায় ৫০ হাজার তরমুজ। খেয়ে না খেয়ে রাতদিন ক্ষেত পাহারা দিলেও কি করবেন এসব তরমুজ তার উপায় খুঁজে পাচ্ছেন না। একই অবস্থা পাশ্ববর্তী লাল মিয়ার। তিন ছেলেকে নিয়ে তরমুজ ক্ষেতেই বেপারির অপেক্ষা করছেন। টানা খাটুনির পর তরমুজকে ঘিরে যে স্বপ্ন দেখেছিলেন ইউসুফ ও লালমিয়া তা এখন দুঃস্বপ্নে রূপ নিয়েছে। নজরুল নগরের মতোই জেলার ১০ হাজার তরমুজ চাষির একই অবস্থা। কেউ কেউ স্থানীয় বাজারে কিছু তরমুজ সরবরাহ করলেও ক্রেতার অভাবে কাঙ্ক্ষিত দাম পাচ্ছেন না।

চাষিরা জানান, বৃষ্টি বাদল শুরু হওয়ায় এসব তরমুজ আর ক্ষেতে রাখা যাবে না। যে কোন সময় পচন শুরু হবে। এসব ফসল কেটে ট্রাক ট্রলিতে করে বাড়ি নেয়ার সামর্থও তাদের নেই। তাই হতাশার কথা জানালেন বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়া এসব চাষিরা।

তবে লোকসানের মুখে পড়া চাষিদের ক্ষতি পুষিয়ে নেয়ার জন্য প্রণোদনাসহ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন জেলার শীর্ষ কৃষি কর্মকর্তা।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উপ পরিচালক হরলাল মধু বলেন, যেন পরবর্তী সময় প্রণোদনার মাধ্যমে তাদের খরচ পুষিয়ে নেয়া যায় কিনা, সেটা কৃষি বিভাগের প্রচেষ্টায় আছে।

এ বছর জেলায় প্রায় ৮ হাজার হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ হয়েছে। যার সম্ভাব্য উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ৪ হাজার মেট্রিক টন।