SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon বাংলার সময়

আপডেট- ০৭-০৪-২০২০ ০৮:৪৫:৪৮

গাইবান্ধায় সামাজিক দূরত্ব না মেনেই কেনাকাটা

gai-bazar

গ্রাম ও শহরের হাট-বাজারগুলোতে কিছুতেই থামছে না মানুষের ঢল। তাদের অনেকে নিয়ম ভাঙছেন জেনেশুনেই। আবার পেটের দায়ে ঝুঁকি নিতে বাধ্য দিনমজুররা। করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে দ্রুত খাদ্য সহায়তা চালুর দাবি বিশিষ্টজনদের। তবে কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে জানায় জেলা প্রশাসন।

গাইবান্ধা শহরের পুরাতন বাজারে সামাজিক দূরত্বের বালাই নেই। গাদাগাদি করে কেনাকাটা করছেন ক্রেতা বিক্রেতারা। পত্র-পত্রিকা, টেলিভিশনের কল্যাণে নিয়ম-কানুন সবই জানেন তারা। কিন্তু মানতে রাজি নন কেউই।

করোনার ভয়াবহতা সম্পর্কে জানলেও পেটের জ্বালা ঘরে থাকতে দেয়নি শহরের পলাশপাড়ার ষাটোর্ধ এই রিকশাচালকের মতো শ্রমজীবীদের। হ্যান্ড গ্লাভসতো দূরের কথা জোটেনি জীবাণুনাশকও। কোন ধরনের সুরক্ষা ছাড়াই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দু'টাকা রোজগারের জন্য পথে নেমেছে মানুষগুলো।

গাইবান্ধা সিপিবি’র সভাপতি মিহির ঘোষ বলেন, সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে যুক্ত করে যাতে দুর্নীতি না হয় সেভাবে ত্রাণ কার্যক্রম চালাতে হবে।

গাইবান্ধার জেলা প্রশাসক আব্দুল মতিন বলেন, জনসমাগম যাতে না হয় সেজন্য আমরা প্রত্যেকের ঘরে খাবার পৌঁছে দিচ্ছি।

উত্তরের জনপদ গাইবান্ধায় প্রায় ২৪ লাখ মানুষের বসবাস। তাদের মধ্যে বেশিরভাগ মানুষই শ্রমজীবী। এর মধ্যে আঠারোশো দিনমজুর পরিবারকে খাদ্য সহায়তার আওতায় এনেছে প্রশাসন।