SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon মহানগর সময়

আপডেট- ২৭-০৩-২০২০ ০৬:৪৩:২১

জনবসতিপূর্ণ স্থানে বর্জ্য ফেলছে স্কয়ার হাসপাতাল!

squre-hospital

হাসপাতাল বর্জ্য সবসময়ের জন্য ক্ষতিকর। এরমধ্যে আবার করোনায় কাঁপছে বিশ্ব। যা মোকাবিলায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে পরিচ্ছন্নতাকে। এ অবস্থায়ও রাজধানীতে সংবেদনশীল হাসপাতাল বর্জ্য ফেলা হচ্ছে জনবসতিপূর্ণ এলাকার পরত্যিক্ত স্থানে। কোভিড নাইন্টিনের এ সময়ে এমন অবহেলা ভয়াবহ বিপদ ডেকে আনতে পারে বলে মনে করছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

কোভিড-১৯ এ কাঁপছে পুরো বিশ্ব। সংক্রমণ এড়াতে বাধ্য না হলে হাসপাতালে প্রবেশেও দেয়া হয়েছে নিষেধাজ্ঞা। এই যখন পরিস্থিতি, তখন মানুষ হাসপাতাল এড়িয়ে চললেও হাসপাতালের সংবেদনশীল বর্জ্য চলে যাচ্ছে মানুষের কাছে।

রাজধানীর হাজারীবাগে সড়কের পাশে প্রতিনিয়ত ফেলা হচ্ছে এসব ক্ষতিকর বর্জ্য। যা বাতাসে উড়ে যাচ্ছে জনবসতি এলাকায়। এতে বাড়ছে করোনাসহ নানা রোগ সংক্রমণের ঝুঁকি।

ইউনিভার্সাল মেডিকেল রিসার্চ সেন্টারের প্রধান অধ্যাপক ডা. রেদোয়ানুর রহমান বলেন, যেহেতু করোনা কার হয়েছে বা কার হয়নি এটা বুঝতে পারছি না। তাহলে আমাদের ধরে নিতে হবে কেউ কেউ সংক্রমিত হতে পারেন। এক্ষেত্রে সব বর্জ্য অবশ্যই স্বাস্থ্যসম্মত হতে হবে।

খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, এসব বর্জ্য আসছে রাজধানীর সুপরিচিত প্রতিষ্ঠান স্কয়ার হাসপাতাল থেকে। তবে হাসপাতালটির দাবি, তারা নয়; রাস্তার পাশে বর্জ্য ফেলছে সিটি করপোরেশন। এ বর্জ্য ক্ষতিকর নয় বলেও দাবি তাদের।

স্কয়ার হাসপাতাল লিমিটেডের এনভায়রমেন্ট অ্যান্ড হাইজিং ইনচার্জ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, এগুলো আমাদের কাছ থেকে সিটি করপোরেশন নিয়ে যায়। তাদের অবহেলার কারণে এটা হয়ে থাকতে পারে।

কিন্তু বর্জ্য নিয়ে আসা ভ্যানচালক বলছেন ভিন্ন কথা। তিনি বলেন, আমি নিয়ে আসি নাই। তাদের লোক আছে, স্কয়ার হাসপাতালের।

বার বার চেষ্টা করলেও এ বিষয়ে কথা বলেননি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তারা। তবে মাঠকর্মী বলছেন, নগর প্রশাসনের হাতে আসা বর্জ্য ফেলা হচ্ছে যথাযথ স্থানে।

তবে পরিবেশ মন্ত্রী বলছেন, দোষ যারই হোক জনস্বাস্থ্যের বিবেচনায় ছাড় দেয়া হবে না কাউকে।

বন ও পরিবেশ মন্ত্রী শাহাব উদ্দিন বলেন, হাসপাতালের ব্যাপারে আমাদের ডিসি সাহেবকে আমি বলে দেব। যে হাসপাতাল রাস্তায় বর্জ্য ফেলবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের তথ্য বলছে, প্রতিদিন রাজধানীতে প্রায় ৫০ টন মেডিকেল বর্জ্য উৎপাদন হয়।