SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon বাংলার সময়

আপডেট- ০৪-০৩-২০২০ ২১:৩০:৫৮

বীর প্রতীক মমিনউল্লাহ পাটোয়ারী একাডেমির প্রশংসায় দীপু মনি

87575498-508742300041915-49

শুধুমাত্র ৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে তার দায়িত্ব শেষ হয়নি। সেই যুদ্ধ এখনো চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। গড়ে তুলেছেন ভিন্নমাত্রার অনন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। আর তা দেখতে ছুটে আসছেন অনেকেই। বাদ পড়েননি শিক্ষামন্ত্রীও। বুধবার শেষ বিকেলে তাই হলো। চাঁদপুরে বীর প্রতীক মমিনউল্লাহ পাটোয়ারী একাডেমির ভূয়সী প্রশংসা করেছেন, শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। 
 
তিনি বলেন, এই বিদ্যাপীঠ অনেক যত্ন এবং মমতা দিয়ে গড়ে তুলেছেন মমিনউল্লাহ পাটোয়ারী। এখানে কাজ করেছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, বঙ্গবন্ধু এবং জ্ঞাননির্ভর একটি সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ। এসময় মন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় মানবিক মূল্যবোধ নিয়ে গড়ে উঠার এটি একটি অনন্য বিদ্যাপীঠ। শুধু তাই নয়, এখানকার শিক্ষার্থীদের নিজস্ব উপস্থাপনা ছিল উল্লেখ করার মতো এবং বেশ উপভোগ্য। মন্ত্রী আরো বলেন, মুক্তিযোদ্ধা মমিনউল্লাহ পাটোয়ারী ৭১ সালে যুদ্ধের মাধ্যমে দেশকে স্বাধীন করে তার দায়িত্ব শেষ করেননি। এখনও দেশকে নিয়ে ভাবছেন তিনি। তাই তো তার শ্রম এবং ঘামের ফসল হচ্ছে শিক্ষার আলো জ্বালানোর এই বিদ্যাপীঠ।

বুধবার বিকেলে চাঁদপুর সদর উপজেলার মৈশাদীতে বীর প্রতীক মমিনউল্লাহ পাটোয়ারী একাডেমিতে বর্ণাঢ্য এক আয়োজনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এসব কথা বলেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে ভিন্নধর্মী আনন্দঘন এই আয়োজনে প্রতিষ্ঠাতা বীর প্রতীক মমিনউল্লাহ পাটোয়ারীও বক্তব্য রাখেন।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে এবং যেই স্বপ্ন নিয়ে ৭১ এ মহান মুক্তিযুদ্ধ করেছি। তা সেই পর্যন্ত সীমাবদ্ধ রাখিনি। তাই জীবনের শেষপর্যন্ত এই যুদ্ধ চালিয়ে যাবো। যতোক্ষণ না প্রতিটি মানুষের মুখে হাসি না ফুটে।

এদিকে, বুধবার বিকেলে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বীর প্রতীক মমিনউল্লাহ পাটোয়ারী একাডেমিতে পৌঁছালে তাকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান, প্রতিষ্ঠাতা মমিনউল্লাহ পাটোয়ারী, অধ্যক্ষ জালাল চৌধুরী, অধ্যক্ষ মোশারেফ হোসেন মিরন, একাডেমির প্রধান এমদাদ হোসেন, ইউপি চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান মানিক। এসময় উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জামাল হোসেন, পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান। অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা মুক্তিযুদ্ধ ও দেশাত্ববোধক সংগীত পরিবেশন করে। পরে বিভিন্ন বিষয় প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন শিক্ষামন্ত্রী। এর আগে মন্ত্রী নতুন একটি বহুতলাবিশিষ্ট শিক্ষাভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।