SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon বাংলার সময়

আপডেট- ২৭-০২-২০২০ ১৯:২৬:৫৪

শিক্ষকের যৌন হয়রানির প্রতিবাদে আন্দোলনে শিক্ষার্থীরা

burguna

শিক্ষকের যৌন হয়রানির প্রতিবাদ ও বিচারের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেছে বরগুনার একটি মহিলা কলেজের শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) ক্লাস বর্জন, মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিলের মাধ্যমে আন্দোলন শুরু করেছে তারা। তাদের দাবি, অভিযুক্ত শিক্ষক আশরাফুল হাসান লিটনকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হোক। তবে কলেজের অধ্যক্ষ বলছেন, বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

বরগুনার বামনা বেগম ফাইজুননেসা মহিলা ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক আশরাফুল হাসান লিটনের যৌন হয়রানি ও ছাত্রীদের কাছে পাঠানো বিভিন্ন উত্তেজক ছবি তুলে ধরে বিচারের দাবিতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম প্রথম ফেসবুকে পোস্ট দেন সাবেক এক ছাত্রী। সমালোচনা শুরু হয় সব মহলে। এরপরই কলেজ কর্তৃপক্ষ সাময়িকভাবে বহিস্কার করে শিক্ষক লিটনকে।

এ ঘটনার পর থেকে মুখ খুলতে থাকে একের পর শিক্ষার্থী, একাধিক ছাত্রীর সাথে যৌন হয়রানির অভিযোগ তোলেন তারা।

এ অবস্থায় সাময়িক নয়, ছাত্রীরা নিরাপত্তার জন্য অভিযুক্ত শিক্ষককে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের দাবি জানায়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার সকালে প্রথমে ক্লাস বর্জন করে ছাত্রীরা। পরে কলেজের সামনে মানববন্ধন ও মিছিল করে তারা।

এক ছাত্রী বলেন, তার চূড়ান্ত বরখাস্ত চাই। কেননা, এরকম ছাড় দেয়া হলে পুনরায় তিনি আবারও এরকম করবে।

আরেক ছাত্রী বলেন, নির্লজ্জ একজন শিক্ষক। তার বিচার চাই।

এদিকে সাময়িক বরখাস্তের পরই আত্মগোপন করেন অভিযুক্ত শিক্ষক লিটন। এ অবস্থায় ছাত্রীদের অভিযোগ তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন অধ্যক্ষ।

বরগুনা বামনা বেগম ফাইজুননেসা মহিলা ডিগ্রি কলেজ অধ্যক্ষ সৈয়দ মানজুরুল রব মুর্তুজা আহসান বলেন, তাকে সময়িক বরখাস্ত আমরা করেছি। চূড়ান্ত বরখাস্ত করার আগে ৬০ দিনের মধ্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি নিয়ে একটা তদন্ত হবে। সেই তদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

২৪ ফেব্রুয়ারি ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে প্রথম প্রতিবাদ ও বিচারের দাবি জানান সাবেক এক ছাত্রী। তার পরদিনই অভিযুক্ত শিক্ষককে সাময়িকভাবে বহিস্কার করে তদন্ত কমিটি গঠন করে কলেজ কর্তৃপক্ষ।