SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon মহানগর সময়

আপডেট- ২৫-০২-২০২০ ১৮:০০:১৫

এডিস মশার দখলে ঢাকার দুই সিটির ১১টি ওয়ার্ড

adis-mosque

শীত যাওয়ার পর মশা বেড়ে যাওয়ায় ডেঙ্গু আতঙ্কে ঢাকাবাসী। এরই মধ্যে দুই সিটির ১১টি ওয়ার্ডকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণার পর এডিস নিধনে সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি শুরু করেছে ডিএসসিসি। তবে এমন ক্ল্যাশ প্রোগ্রাম কতটুকু কার্যকর হবে, তা নিয়ে রয়েছে শঙ্কা।

ঢাকা উত্তরের ৫টি ও দক্ষিণের ৬টি ওয়ার্ডকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রিপোর্টের পর আবারো নড়েচড়ে বসেছে সিটি করপোরেশন। মঙ্গলবার সকালেই সাতদিনের বিশেষ কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নেমেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন।

ডিএসসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. শরীফ আহমেদ বলেন, প্রতিদিন আমাদের টিম ১৫টি বাড়ি পরিদর্শন করবে। লার্ভা সনাক্ত করবে। লার্ভা যদি পাওয়া যায় তাহলে তা ধ্বংস করবে। 

দক্ষিণের ঝুঁকিপূর্ণ ৬টি ওয়ার্ডে সাতদিন চলবে বিশেষ অভিযান।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন বলেন, আমরা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সব ওয়ার্ডকে ডেঙ্গুমুক্ত ওয়ার্ড হিসেবে ঘোষণা করতে চাই। 

কলাবাগান ক্রীড়াচক্রের মাঠে ফগিং মেশিন চালিয়ে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন মেয়র। অথচ সেখানেই পড়ে আছে পরিত্যক্ত অনেক প্লাস্টিক কন্টেইনার যা এডিসের বংশ বিস্তারে সহায়ক।

এলাকাবাসীরা বলছেন, এগুলো যারা বসেন তারাই করে। এখানে এসে যারা বসে চা খান তারাই এগুলো করেন। 

এমন ক্র্যাশ প্রোগ্রাম কতটা কার্যকরী প্রশ্ন ছিল মেয়রের কাছেও।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন বলেন, উড়ন্ত মশাগুলোকে আমরা নিধন করি। সেগুলোর চেয়ে আমরা এডিস মশা ধ্বংস করার অত্যাধুনিক প্রক্রিয়া অর্জন করেছি।  বাকি ওয়ার্ডগুলোতেও মশক নিধন কার্যক্রম চলমান থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

যেখান থেকে এডিস মশা নিধনের কার্যক্রম শুরু হয়েছে তার থেকে কয়েক মিটার দূরেই পড়ে আছে ডাবের খোসা, বোতল ও ময়লা আবর্জনা। তাই এই ক্রাশ প্রশ্ন রয়ে যায় এই ক্রাশ প্রক্রিয়ার সার্থকতা কোথায়।