SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon বইমেলা

আপডেট- ২৩-০২-২০২০ ১৯:২১:১৯

শর্বরীশ্লোক নিয়ে রুম্পার বইমেলা

book

শর্বরী মানে রাত। আর শ্লোক মানে কবিতা। এক একটা কবিতা যখন হয় কারও মনের গোটাগল্প, তখন তার সংকলণ হতে পারে কারও জীবনের গান। এমনই কিছু কবিতার সংকলণ নিয়ে প্রকাশ হলো ‘শর্বরীশ্লোক’।

রুম্পা সৈয়দা ফারজানা জামানের লেখা কবিতাগুলো বিশেষ করে রাতেই লেখা বলে সংকলণটির নাম রাখা হয়েছে শর্বরীশ্লোক। এই শ্লোকগুলো একেকটি যেন নদী। কোনটির নাব্যতা বেশি। কোনটিরকম। কোনটি খরস্রোতা – কোনটিতে ধুধু বালুচর।

বর্ষাদুপুর থেকে প্রকাশিত এই সংকলণে আছে ছোট বড় প্রায় তিরিশটির মত কবিতা। লেখক রুম্পা পেশায় সাংবাদিক হলেও মনের আনন্দে লিখে যাচ্ছেন কবিতা অনেক আগে থেকেই। বইটির মুখবন্ধ ও লিখেছেন শেখ রানা।

তিনি বলেন, ‘রুম্পাকে আমি সাংবাদিক হিসেবে চিনতাম। অফুরান প্রাণশক্তির সাংবাদিক। সাংবাদিক যখন যখন বলছি তখন আদতেই সে সাংবাদিক। সংবাদ সংগ্রহ করে, তার প্রতি নিবিড় মনোযোগ এবং গবেষণা ধরে রেখে সংবাদ ছাপে। হোক সে বিনোদন বা দর্শন। পত্রিকার পাতায় লেখা বাদ দিলে রুম্পার কবিতা বা শ্লোক লেখার সাথে আমার সখ্যতা শর্বরীশ্লোক দিয়েই। মনে আছে, অন্তর্জালে লেখা পড়ে শর্বরী অর্থ জানতে চেয়েছিলাম। জেনে খানিক অবাক হয়েছিলাম। কারণ কাছাকাছি সময়ে আমি একটা কবিতার বইয়ের কথা ভাবছিলাম, যার সবগুলো লেখা হবে গভীর রাতে।শর্বরী শ্লোক আগ্রহ নিয়ে পড়েছি সেই থেকে। নগর ছেড়ে বেরিয়ে পড়ার আকুলতা, আক্ষেপ, ভালোবাসা, আধ্ম্যাতিকতা- টুকরো পংতিতে দৃশ্যকল্প খুঁজে পেয়েছি নিজের মত করে। হৃদয়ের টংকার একজন লেখকের পরম আরাধ্য। পাঠকের জন্যও তাই! প্রসঙ্গক্রমে একটা কথা বলে রাখি, শর্বরী শ্লোকের লেখাগুলো ভালো গানের লিরিক হতে পারে।”

নিজের লেখা সম্বন্ধে রুম্পা বলেন, “আমি লিখি মনের মাঝের ইট চাপা ধুসর গাছের জন্য একটু অক্সিজেনের ব্যবস্থা করে দিতে। হয়তোযা নিত্যদিনে বলা যায় না, হয়তো তা রাতের অন্ধকারে মন থেকে ঝেড়ে ফেলা যায়। শর্বরীশ্লোকতাই শুধু একটি সংকলণ নয়। এই বইটি আবেগের মিশ্রণ।” বর্ষাদুপুর প্রকাশনি থেকে প্রকাশিত শর্বরীশ্লোক পাওয়া যাচ্ছে বইমেলাতে এবং রকমারিডটকমে। বইমেলাতে এর স্টল নম্বর ২৩৬-২৩৮।