SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon বাণিজ্য সময়

আপডেট- ২২-০২-২০২০ ১৭:৫০:৫২

বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরুর আশ্বাস চীনের

fbcci

করোনাভাইরাসের নেতিবাচক প্রভাবে অনেকটাই স্থবির হয়ে পড়েছে দেশের আমদানি বাণিজ্য আর সরবরাহ সংকট তৈরি হয়েছে উৎপাদনশীল খাতেও। শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর মতিঝিলে ফেডারেশন ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য দেন এফবিসিসিআই সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম।

 করোনার প্রভাব কাটিয়ে আর মাত্র দু দিন পর থেকেই স্বাভাবিক বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরুর আশ্বাস মিলেছে চীনের কাছ থেকে বলে জানান তিনি।

এ অবস্থায় আমদানি-রফতানি যাতে বাধাগ্রস্ত না হয় সেজন্য ঋণপত্র সহায়তা ও ঋণপত্রের মূল্য পরিশোধের বিষয়ে বিশেষ ব্যবস্থার পাশাপাশি ব্যাংকে কোনো প্রতিষ্ঠানের কাগজপত্র সরবরাহে তাদের একাউন্ট ক্লাসিফাইড হওয়ার কারণে যাতে এডিশনাল চার্জ, ইন্টারেস্ট পেনালাইজড না হয়, সেদিকে বিশেষ নজর দেয়ার আহ্বান জানান শেখ ফজলে ফাহিম।

এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে চীনের মোট বাণিজ্য প্রায় ১৪.৬৮ বিলিয়ন ডলারের। পোশাক খাতে বিশেষ করে ওভেন খাতের কাঁচামালের ৬০ শতাংশ আসে চীন থেকে। অন্যদিকে নীট খাতে আসে প্রায় ২০ শতাংশ কাঁচামাল। এছাড়া অন্য অনেক শিল্পে কাঁচামালের প্রধান উৎস চীন। করোনা ভাইরাসের কারণে আমাদের অর্থনীতির ম্যানুফ্যাকচারিং ভ্যালু চেইনের ৮০ শতাংশের মতো প্রায় এক মাস স্থগিত ছিলো। এসময়ে খুব সামান্য পরিমাণ শিপমেন্ট হয়েছে। আমাদের আশ্বাস দেয়া হচ্ছে ২৪ ফেব্রুয়ারির পর শিপমেন্ট হবে।

তিনি বলেন, করোনা ভাইরাসের কারণে আমাদের বাণিজ্যিক কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। যে সব ঋণপত্র আগেই খোলা ছিলো সেগুলো জাহাজিকরণ ও ডকুমেন্টস পাওয়ায় জটিলতা দেখা দিচ্ছে। নতুন ঋণপত্র খোলাও কমে গেছে। এ কারণে পোশাক খাত, প্লাস্টিক, চামড়া, ইলেকট্রনিক, মেডিকেল সামগ্রী, কম্পিউটার, যোগাযোগসহ সব খাতে স্বাভাবিক সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। চলতি বছর জানুয়ারি মাসে ৬.৭২ লাখ টন পণ্য এসেছে অথচ ২০১৯ সালের একই সময় এর পরিমাণ ছিলো ৮.৫১ লাখ টন, ২০১৮ সালে ছিলো ৮.৮২ লাখ টন।

সংবাদ সম্মেলনে শেখ ফজলে ফাহিম বলেন, যেসব প্রতিষ্ঠানের ঋণপত্র খোলা আছে কিন্তু শিপমেন্ট হচ্ছে না বা শিপমেন্টে সময় লাগছে, তাদের অন্য কোনো উৎস থেকে আমদানির সুযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংককে ওইসব প্রতিষ্ঠানকে এলসি লিমিটের বাইরে গিয়ে স্বল্পমেয়াদি ঋণ দেয়ার অনুরোধ জানানো হচ্ছে।

সবার সহযোগিতায় এ অচলাবস্থা শিগগিরই কেটে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন এফবিসিসিআই সভাপতি।

সংবাদ সম্মেলনে এফবিসিসিআই’র সহ-সভাপতি মো. সিদ্দিকুর রহমান, সাবেক সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিনসহ পর্ষদের অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।