SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon বাংলার সময়

আপডেট- ২২-০২-২০২০ ১২:৩৮:৩১

ধর্মপাশায় প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে খাস জমি দখলের অভিযোগ

sunamgonj

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার পাইকুরাটী ইউনিয়নে রাজাপুর মৌজার প্রায় ২০ একরের বেশি সরকারি জমি দখলের অভিযোগ পাওয়া গেছে এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তি  হাজী আব্দুল গণির (৮৫) বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) শতাধিক কৃষকের স্বাক্ষর করা একটি অভিযোগপত্র ধর্মপাশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে দেয়া হয়। অভিযুক্ত হাজী আব্দুল গণি পাইকুরাটী ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামের বাসিন্দা।  

অভিযোগের বিবরণে জানা যায়, উপজেলার পাইকুরাটী ইউনিয়নের রাজাপুর মৌজার খাস খতিয়ানভুক্ত পতিত ভূমিতে আবহমানকাল থেকে ওই ইউনিয়নের রাজাপুর, রায়পুর ও হিজলা গ্রামের কৃষকেরা গোচারণমাঠ হিসেবে তাদের গরু চরিয়ে আসছেন। বোরো ধান ওঠানোর সময়ে বৈশাখ মাসে এ পতিত ভূমিতে যে যার মতো করে গ্রামের কৃষকেরা ধান মাড়াই করে গরুর গাড়ি, হ্যান্ডট্রলি ও ভ্যানগাড়ি দিয়ে একমাত্র ফসল ঘরে উঠিয়ে আসছেন। কিন্তু কয়েক বছর ধরে ওই রাজাপুর মৌজার খাস খতিয়ানভুক্ত ভূমি ফসল ফলানোর অজুহাতে প্রতিবছর ১০/১৫ একর করে কৌশলে দখল করতে থাকেন। গ্রামের মানুষের বাধানিষেধ উপেক্ষা করে এমনিভাবে বর্তমানে বিভিন্ন রবিশস্য ফলানোর অজুহাতে প্রায় ২০ একরের অধিক সরকারি খাসভূমি দখল করে নিয়েছেন হাজী আব্দুল গণি। মাড়াই করা ধান নিয়ে আসার ও গ্রামের কৃষকদের গরু নিয়ে হাওরে যাতায়াতের গোপাট কেটে রাস্তা বিচ্ছিন্ন করাসহ সরকারি কবরস্থানটি পারিবারিক কবরস্থান হিসেবে দাবী করে দখল করে নিয়েছেন তিনি। 

এমন অবস্থায় তার অত্যাচারে গ্রামের নিরীহ কৃষকেরা তাদের গরু পালনসহ বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত হয়ে পড়ছেন। এ ছাড়াও তিনি গত বছরে জাইকা প্রকল্পের নির্মিত বাঁধের পাশের গর্ত দখল করার চেষ্টা করছেন বলে জানা যায়।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত হাজী আব্দুল গণি সত্যতা স্বীকার করে বলেন, খাস জমি তার দখলে আছে। তবে কত একর জমি তার দখলে আছে তা হিসাব করে বলতে হবে বলে জানান। ধর্মপাশা(ভারপ্রাপ্ত) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.আবু তালেব বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে রিপোর্ট দেয়ার জন্য তহসিলদারকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।