SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon মহানগর সময়

আপডেট- ২০-০২-২০২০ ১৪:৫০:২৭

৭ বছর ধরে জাল টাকার কারবারে জড়িত তারা

jal-tk-up

সাত বছর ধরে জড়িত জাল টাকার কারবারের সঙ্গে। এর মধ্যে গ্রেফতার হয়েছেন আটবার। তবুও আবু কায়সার ছাড়ছে না এই ব্যবসা। দুই সহযোগীসহ আবারো গ্রেফতার হয়েছে গোয়েন্দা পুলিশের হাতে। উদ্ধার হয়েছে ৪৫ লাখ টাকার জাল মুদ্রা ও বিপুল পরিমাণ সরঞ্জাম।

রাজধানীর কদমতলী এলাকার একটি বাসায় তৈরি হচ্ছে জালটাকা- এমন খবরে সেখানে যায় গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল। হাতেনাতে গ্রেফতার হয় তিন জন। উদ্ধার হয় ৪৫ লাখ জাল মুদ্রা ও মুদ্রা জাল করার বিপুল পরিমাণ সরঞ্জাম।

গোয়েন্দা পুলিশের দাবি এই চক্রের মূলহোতা আবু কায়সার এক সময় ছিলো রেস্টুরেন্ট কর্মচারী। সেসব ছেড়ে এক সময় নামে এই অবৈধ কাজে। এখন পর্যন্ত আটবার গ্রেফতার হয়েছে সে। জেলে গিয়ে অন্য জালটাকা কারবারিদের সঙ্গে সখ্য হয়। জামিনে বের হয়ে গড়ে তোলে নতুন নতুন দল। তার ভাই হুমায়ূনও একই কাজে জড়িত।

একজন বলেন, কয়েকবছর ধরে আমি জেলে কাটিয়েছি। জেল থেকে যখনি বের হয়ে আসি, তখন আবার শুক্ররা পুলিশে আমাকে ধরিয়ে দেয়। অকারণে এবারও আমি ১৮ মাস জেল খেটেছি।

আরেকজন বলেন, এই টাকাগুলো আমি ক্রয় করি। পরে ২ হাজার টাকা লাভে আবার বিক্রি করে দেই।

পুলিশ বলছে, গ্রেফতারের কিছুদিন পরই এসব অপরাধীরা জামিনে বের হয়ে আসে। জড়িয়ে পড়ে একই অপরাধে। তাই তাদের মানসিক পরিবর্তনের দিকে জোর দেয়া উচিত।

গোয়েন্দা ও অপরাধ তথ্য বিভাগের উপ কমিশনার সৈয়দ মুদদাচ্ছের হোসেন বলেন, আমার মনে হয়, এদেরকে পরামর্শ দিতে হবে। এবং পরামর্শক বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিতে হবে। এবং তারা যখন কারাগারে থাকে তখনই তাদের সংশোধনের ব্যবস্থা করতে হবে। আমি বিশ্বাস করি, কারাগার শুধু সাজার জায়গা নয়, সংশোধনের জায়গায়ও।

গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে কদমতলী থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করা হয়েছে।