SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon বাংলার সময়

আপডেট- ১৭-০২-২০২০ ২১:৪৩:৫৯

গাছে হোয়াইটফ্লাই-শূতিমূলের আক্রমণ, চিন্তিত কৃষক

bagerhat

বাগেরহাটে নারকেল, পেঁপে, সুপারিসহ বিভিন্ন গাছের পাতায় হোয়াইটফ্লাই ও শূতিমূলের আক্রমন আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এদের আক্রমণে চোখের সামনে ক্রমশ নিজের যত্নেগড়া অর্থকারী ফসলের গাছগুলো হারিয়ে যাচ্ছে। বাজারে থাকা বিভিন্ন ওষুধ প্রয়োগেও এই রোগ না কমায় দুশ্চিন্তার শেষ নেই কৃষকদের। তবে কৃষি বিভাগ বলছে, হোয়াইটফ্লাই ও শূতিমূলের আক্রমণ শুধু বাগেরহাটে নয়, দেশের অনেক জায়গায় এ আক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

এ নিয়ে দুশ্চিন্তার কিছু নেই ইমিডা ক্লোরোপিড ও ডিটার্জেন্ট মিশ্রিত পানি স্প্রে করলে পোকা ও ছত্রাক মরে যাবে।

কচুয়া উপজেলার কৃষক আবুল হোসেন বলেন, আমার বাড়িতে অনেকগুলো নারকেল গাছ আছে। বর্তমানে গাছে তেমন নারকেল হচ্ছে না। কিছু নারকেলের মুচি (কুশি) আসলেও তা বড় হচ্ছে না। কারণ বৃষ্টি মৌসুম শেষ হওয়ার পরে গাছগুলোর পাতার নিচে সাদা সাদা পোকার আক্রমণ শুরু হয়। পোকাগুলো পাতা পুরুত্বের অর্ধেকাংশ প্রায় শেষ করে ফেলে। এর সাথে রয়েছে পাতার উপরিভাগ কালো হয়ে যাওয়া রোগ।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, বাগেরহাটের উপ-পরিচালক রঘুনাথ কর বলেন, শূতিমূল নামক এক ধরণের ফাঙ্গাসের আক্রমণে গাছের পাতা কালো হয়ে যাচ্ছে। তুলারমত সাদা হোয়াইটফ্লাই পোকার আক্রমণও বৃদ্ধি পেয়েছে আশঙ্কাজনকভাবে। এটা শুধু বাগেরহাটে নয় দেশের বিভিন্ন জেলায় হোয়াইটফ্লাই ও শূতিমূলের আক্রমণের খবর পেয়েছি।
 
এগুলোর আক্রমণ এত ভয়ানক যে নিয়ন্ত্রণ না করতে পারলে আক্রমানত্মক গাছ মারাও যেতে পারে।

এ সমস্যা নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, হোয়াইটফ্লাই ও শূতিমূলের আক্রমন থেকে আক্রান্ত গাছকে বাঁচানো সম্ভব। এর জন্য ইমিডাক্লোরোপিড গ্রুপের বিভিন্ন কিটনাশকের সাথে ডিটারজেন্ট মিশিয়ে গাছে নিয়মিত স্প্রে করতে হবে। তাহলে এই সমস্যার প্রভাব কেটে যাবে। এছাড়া বাজারে এসব সমস্যার জন্য কৃষি পন্য বাজারজাতকরণ বিভিন্ন কোম্পানির কিছু ওষুধও রয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।