SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon খেলার সময়

আপডেট- ২৭-০১-২০২০ ০৪:৪৪:০০

দুর্নীতির পাহাড় স্কোয়াশ র‌্যাকেটস ফেডারেশনে

bd-games

শুধু নামেই ফেডারেশন, কাজে নেই। ফেডারেশনের কক্ষ থাকলেও তালা খোলা হয় না কখনো। নেই বড় কোনো পদক। স্থাপনের পর থেকে কখনো হয়নি নির্বাচন। বাংলাদেশ স্কোয়াশ র‌্যাকেটস ফেডারেশনের বর্তমান অবস্থা এটাই। আর এই সব অভিযোগের তীর সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হামিদের নামে। খেলোয়াড়দের অনুশীলনের অর্থ আত্মসাৎসহ দুর্নীতির নানা অভিযোগ থাকায় আসন্ন বাংলাদেশ গেমস থেকে বাদ দেয়া হয়েছে ডিসিপ্লিনটিকে।

একটা চিঠি এসেছে জাহাঙ্গীর হামিদের নামে। কিন্তু প্রাপকের হাতে এ ধরনের চিঠি কখনো পৌঁছায় না। কারণ গত ৫ বছর ধরে তিনি ফেডারেশনেই আসেন না। কখনো খোলা হয় না স্কোয়াশ ফেডারেশনের তালা। একটু খোঁজ খবর নিতেই বেরিয়ে এলো থলের বিড়াল

স্বাধীনতার পর গঠিত স্কোয়াশ র‌্যাকেটস ফেডারেশন যেনো দুর্নীতির পাহাড়। ১৭ বছরেরও বেশি সময় ধরে সাধারণ সম্পাদক পদ দখল করে রাখা জাহাঙ্গীর হামিদ আনতে পারেননি কোনো বড় পদক। প্রতি বছর ১২ লাখ টাকা করে অনুশীলন খরচ বাবদ ক্রীড়া পরিষদ থেকে টাকা ওঠায় ফেডারেশন। কিন্তু অনুশীলনই যেখানে হয় না, টাকা যায় কোথায়?

খেলোয়াড়রা জানান, দুই বছর ধরে ফেডারেশন আমাদের সাথে যোগাযোগ করেনি। শুধু বলে আজ হবে, কাল হবে। তারা অনেক টাকা মেরে খায়। কিন্তু টুর্নামেন্ট হয় না। আমাদের যে প্রাপ্য সেটাও দেয়া হয়না।

বাংলাদেশ স্কোয়াশ র‍্যাকেট ফেডারেশনের কার্যকরী সদস্য হেদায়েত উল্লাহ তুর্কী বলেন, ওনার বিরুদ্ধে যেসব খেলোয়াড়, কোচ ও কর্মচারী অভিযোগ করেছেন। তিনি তাদের নানাভাবে ব্যবস্থা নিয়েছেন।

এতো সব অভিযোগের পরও ফেডারেশনের দুর্নীতির বিপক্ষে তদন্ত কমিটি গঠনের পাঁচ মাস পেরোলেও এখনো কোনো তদন্ত রিপোর্ট জমা দেয়নি ক্রীড়া পরিষদ। বরং যারা অভিযোগ করেছে তাদেরই পড়তে হয়েছে কাঠগড়ায়। আসন্ন বাংলাদেশ গেমস থেকে নাম কাটা গেছে ফেডারেশনের। বঞ্চিত হচ্ছে খেলোয়াড়রা। সব কিছু শুনে দ্রুতই ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল।

তিনি বলেন, এ বিষয়টি আমি খতিয়ে দেখবো। এই ধরনের অন্যায় কাজে সঙ্গে কেউ জড়িত থাকে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

দেশের ভঙ্গুর ক্রীড়াঙ্গনে যদি ছোট ছোট ফেডারেশন গুলো যদি ভালো করতো। তবে হয়তো সাফল্য আরো বড় করে ধরা দিত।