SomoyNews.TV

স্বাস্থ্য

আপডেট- ২৬-০১-২০২০ ১৮:৪১:১৪

বাংলাদেশে বিমানবন্দরে ২ হাজার যাত্রী পরীক্ষা, করোনা ভাইরাসের লক্ষণ মেলেনি

corona-virus

গত ছয় দিনে চীন থেকে বাংলাদেশে সরাসরি যে কয়টি ফ্লাইট এসেছে সেখানে দুই হাজারের বেশি যাত্রীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়েছে। এই পরীক্ষায় কারও মধ্যে করোনা ভাইরাসের লক্ষণ পাওয়া যায়নি। রোববার (২৬ জানুয়ারি) ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এই তথ্য জানিয়েছে।

ঢাকা ও চীনের মধ্যে প্রতিদিন ছয়টি ফ্লাইট যাওয়া-আসা করে। চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইন, চায়না ইস্টার্ন ও ইউএস-বাংলা সরাসরি এসব ফ্লাইট পরিচালনা করে। এসব ফ্লাইটে চীন থেকে আসা যাত্রীদের পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

চীনের করোনা ভাইরাস যাতে বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়তে না পারে, সে জন্য ২০ জানুয়ারি থেকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিশেষ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। একই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে চট্টগ্রামের শাহ আমানত ও সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে।

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সহকারী স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, করোনা ভাইরাসের কারণে চীন থেকে যাত্রী আসা কমে গেছে। গত সোমবার থেকে গতকাল শনিবার পর্যন্ত চীন থেকে ঢাকায় আসা ২ হাজার ৪৮ জন যাত্রীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়েছে। তাঁদের কারও মধ্যে এই ভাইরাসের লক্ষণ পাওয়া যায়নি।

এ এইচ এম তৌহিদ উল আহসান বলেন, চীন থেকে আসা বাংলাদেশি যাত্রীদের কাছে জানতে চাওয়া হচ্ছে, তারা চীনের কোন শহরে কত দিন ছিলেন। আর চীনের কোন শহর থেকে এসেছেন।

এ এইচ এম তৌহিদ উল আহসান জানান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে উড়োজাহাজের ভেতরে শুধু যাত্রীদের ও নামার পর কেবিন ক্রুসহ সব আরোহীদের আরেকটি কার্ড দেওয়া হচ্ছে। আর থার্মাল স্ক্যানারে কোনো যাত্রীর শরীরে জ্বরের উপসর্গ পাওয়া গেলে তাকে আরেকটি কার্ড দেওয়া হচ্ছে।

স্বাভাবিক সময়ে সার্বক্ষণিক শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সংক্রামক রোগ শনাক্তে তিনটি থার্মাল স্ক্যানার কাজ করে। একটি ভিআইপিদের বের হওয়ার পথে, আর দুটি সাধারণ যাত্রীদের জন্য উড়োজাহাজ থেকে ইমিগ্রেশনে যাওয়ার পথে।

বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ছে করোনা ভাইরাস। চীনের বাইরে ফ্রান্স, জাপান, অস্ট্রেলিয়া, মালয়েশিয়া, নেপাল, সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ কোরিয়া, তাইওয়ান, থাইল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র ও ভিয়েতনামে এই ভাইরাসে সংক্রমিত রোগী শনাক্ত করা গেছে।