SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon বিনোদনের সময়

আপডেট- ২৫-০১-২০২০ ১৯:০১:০৬

চুলের তেলে ফাঁসলেন মিমি (ভিডিও)

mimi

তেলের বিজ্ঞাপন করে ফেঁসে গেছেন পশ্চিমবঙ্গে অভিনেত্রী ও তৃণমূলের সংসদ সদস্য মিমি চক্রবর্তী। বিজ্ঞাপনটি ছিল, আয়নার সামনে বসে বসে চুল বাঁধছিলেন মিমি। পেছন থেকে একজন জিজ্ঞেস করলেন, ‘এখনো চুল নিয়ে পড়ে?’

জবাবে মিমি বলেন, ‘আমি এখন জনপ্রতিনিধি। তাই তার যোগ্য হেয়ারস্টাইল।’ এ জনপ্রতিনিধি শব্দ ব্যবহার করে ফেঁসে গেছেন তিনি।

মিমির বিজ্ঞাপন নিয়ে আইনজীবীরা বলছেন, সংসদ সদস্যদের জন্য আদর্শ আচরণবিধিতে ‘স্বার্থের সংঘাত’ সংক্রান্ত যে নিয়ম রয়েছে মিমি তা লঙ্ঘন করেছেন। একজন সংসদ সদস্য এভাবে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে জনপ্রতিনিধি শব্দ ব্যবহার করতে পারেন না।

তাদের মতে, যদি বিজ্ঞাপনটি সরকারের বা রাজ্যের কোনো বিষয় নিয়ে হতো তাহলে আপত্তি করা যেত না। কিন্তু এটি সম্পূর্ণ বাণিজ্যিক বিষয়।

এ বিষয়ে আসানসোলের সংসদ সদস্য সংগীতশিল্পী বাবুল সুপ্রিয় বলেছেন, ‘এভাবে বিজ্ঞাপন করা একেবারেই অনুচিত। মিমির উচিত এখনই এ ভুল শুধরে নেয়া।’

হুগলির বিজেপি সংসদ সদস্য অভিনেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, ‘মিমি নিশ্চয়ই সংসদ সদস্যদের বিধিনিষেধ নিয়ে আইন সম্পর্কে ভালোভাবে অবগত নন। না জেনেই করেছেন।’

বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু বলেছেন, ‘একজন সংসদ সদস্য কীভাবে এ ধরনের কাজ করেন! নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হয়ে সেই পরিচয় ব্যবহার করে যে তিনি অর্থ উপার্জন করতে পারেন না, তা কি জানা নেই মিমি চক্রবর্তীর? বুঝে দেখুন, তৃণমূল থেকে কাদের সংসদে পাঠানো হয়েছে।’

নয়াদিল্লিতে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী পীযুষকান্তি রায় বলেছেন, ‘এভাবে বিজ্ঞাপনী প্রচার করাটা পুরোপুরি আইনসিদ্ধ হয়নি। একজন সংসদ সদস্যকে কিছু নিয়ম মেনে চলতে হয়, তিনি কখনোই সাধারণ লোকদের মতো ব্যবসায়িক মনোবৃত্তি নিয়ে চলতে পারেন না। বিজ্ঞাপন যদি রাজ্য সরকারের তরফে বা কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে প্রচারিত হতো, তা হলে অন্য কথা ছিল। বিষয়টি যদি সংসদের এথিক্স কমিটির কাছে যায়, তা হলে আমি অবাক হব না।’