SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon বাংলার সময়

আপডেট- ২১-০১-২০২০ ০৩:৪৬:৫৯

বর্ণিল আয়োজনে নোয়াখালী জিলা স্কুলের মিলন মেলা অনুষ্ঠিত

z1

'আলোর স্রোতে প্রাণের মেলায়' এই শ্লোগানকে সামনে রেখে শনিবার (১৮ জানুয়ারি) বর্ণিল আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে নোয়াখালী জিলা স্কুলের প্রাক্তন ছাত্রদের মিলন মেলা।

১৮৫০ সালে স্থাপিত নোয়াখালী জিলা স্কুল এ বছর পা দিয়েছে ১৭০ বছরে। এ উপলক্ষ্যে মিলন মেলার আয়োজন করে নোয়াখালী জিলা স্কুল প্রাক্তন ছাত্র ফোরাম।আয়োজনে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিলো ১৯৪৯ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত প্রাক্তন সকল ছাত্রদের। সে আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে প্রাক্তন ফোরামের সদস্য তালিকা ভুক্ত হয়ে মিলন মেলায় অংশ নেয় প্রায় ২৫০০ এর অধিক প্রাক্তন ছাত্ররা।

এ দিন প্রাক্তন ছাত্রদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠে পুরো শিক্ষাঙ্গন। পুরনো বন্ধুদের কাছে পেয়ে তৈরী হয় আনন্দ আর আবেগঘন পরিবেশের। দিনভর চলে আড্ডা, স্কুলের স্মৃতিচারণ ও সাংষ্কৃতিক আয়োজন।

সকালে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে শুরু হয় দিনের আয়োজন। এরপর নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরী জাতীয় সংগীত ও বেলুন উড়িয়ে মিলন মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধণ করেন।

এরপরপরই বের হয় প্রাক্তন ছাত্রদের নিয়ে আনন্দ শোভাযাত্রা। শোভাযাত্রাটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে আবারো ফিরে আসে স্কুল প্রাঙ্গনে।

স্মৃতিচারণ পর্বে স্কুল নিয়ে নানা গল্পে আয়োজনকে আরো বর্ণিল করে তোলেন প্রাক্তন ছাত্ররা। এ সময় স্কুল নিয়ে নিজেদের স্মৃতিচারণ করেন সাংবাদিক আহমদ নজীর, সাবেক সচিব ও রাষ্ট্রদূত এ এইচ মোফাজ্জল করিম, বিশিষ্ট শিল্পপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য ফজলুল আজিম, সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব সাদত হোসাইনসহ আরো অনেকে।

প্রায় ১২ বছর পর স্কুলের মিলন মেলায় এসে সময় সংবাদকে ২০০৭ ব্যাচের আশিক নিশাত বলেন, এতো দিন পর স্কুলে এসে বন্ধুদের দেখতে পেয়েছি। এ অনুভূতিটা আসলে মুখে প্রকাশ করার মত নয়। সত্যি খুব আনন্দিত। সবাইকে অনেক মিস করি।

১৯৬৬ ব্যাচের শাহজাহান আহমেদ বলেন, আমাদের সময় আমরা স্কুল শেষে এই মাঠেই মাছ ধরতাম। স্কুলের পাশেই নদী ছিলো। এসব এখন স্মৃতি। আমার ব্যাচের কাউকে এখনো মিলন মেলায় খুঁজে পায়নি। তাই কষ্টও লাগছে কিছুটা।

দিনব্যাপি মিলন মেলায় বিকেল গড়াতেই শুরু হয় পিঠা উৎসব। আর সন্ধ্যা নামতেই শুরু হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক আয়োজন। সেখানে অংশ নেয় জনপ্রিয় সংঙ্গীত শিল্পী এসআই টুটুল, ওয়ারফেইজ ব্যান্ডসহ স্থানীয় শিল্পীরা। পুরো অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন দেশের জনপ্রিয় উপস্থাপক ও নোয়াখালী জিলা স্কুলেরই প্রাক্তন ছাত্র খন্দকার ইসমাইল।

আতশবাজী, ফানুশ উড়ানো আর র‍্যাফেল ড্রয়ের মধ্য দিয়ে পর্দা নামে মিলন মেলার দিনব্যাপি আয়োজনের।