SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon বাংলার সময়

আপডেট- ২০-০১-২০২০ ০৮:৫৮:৩৮

সবজির দাম ভালো হলেও হয়নি কাঙ্ক্ষিত লাভ, দাবি কৃষকদের

vegetable

ফলন কম হলেও চলতি মৌসুম জুড়েই সবজির ভালো দাম পেয়েছেন যশোরের চাষিরা। সেই সঙ্গে লাভবান হয়েছেন সবজির পাইকার ব্যবসায়ীরাও। তবে কৃষকদের দাবি, ভেজাল সার ও কীটনাশকের কারণে উৎপাদন খরচ বেশি হওয়ায় কাঙ্ক্ষিত লাভ হয়নি তাদের। তাদের অভিযোগ, কৃষি বিভাগের সঠিক নজরদারি থাকলে চিত্রটি হতো ভিন্ন। তবে কৃষি বিভাগের দাবি, সারা বছরই তারা মাঠ পর্যায়ে কাজ করছেন।

কৃষি বিভাগের তথ্যানুযায়ী, প্রতিবছর রবি মৌসুমে যশোর জেলায় প্রায় ১৭ হাজার হেক্টর জমিতে আগাম শীতকালীন ও শীতকালীন সবজি চাষ হয়। উৎপাদিত হয় প্রায় সাড়ে ৩ লাখ মেট্রিক টন সবজি। যা স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলায় পাঠানো হয়। তবে চলতি মৌসুমে আবহাওয়া জনিত কারণে সবজির উৎপাদন তুলনামূলকভাবে কম।

কৃষকদের দাবি অতিরিক্ত তাপমাত্রা ও বৃষ্টির কারণে বেগুন, শিমসহ বিভিন্ন সবজির ক্ষেত ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে তারা আশানুরূপ ফলন পাননি। ফলন কম হলেও এ বছর চড়া দামে সবজি বিক্রি করতে পেরেছেন কৃষক। মৌসুমের শেষ সময়ে যখন মূলা, বাঁধাকপি বিক্রি হয় না, তখনও ভালো দামে বিক্রি করছেন তারা। মৌসুম জুড়ে সবজির ভালো দাম থাকায় কৃষকের পাশাপাশি লাভবান হয়েছেন সবজির পাইকার ব্যবসায়ীরাও।

কৃষকদের অভিযোগ, কৃষি বিভাগের নজরদারি না থাকায় ভেজাল কীটনাশক ও সার ব্যবহারে উৎপাদন খরচ পড়েছে বেশি। ফলে কাঙ্ক্ষিত লাভ তুলতে পারেননি।

অবশ্য যশোর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক সুশান্ত কুমার তরফদার দাবি করেন, ভালো ফলন পেতে হলে কৃষকদের রাসায়নিক ওষুধ-সারের পরিবর্তে জৈব বালাইনাশক ব্যবহার করতে হবে।

চলতি মৌসুমে সর্বোচ্চ প্রতি কেজি মূলা ৫০ টাকা কেজি, বেগুন ৬০ টাকা, শিম ৭০ টাকা, ফুলকপি ৬০ টাকা, বাঁধাকপি ২০ টাকা পিস বিক্রি হয়েছে।