SomoyNews.TV

সিটি নির্বাচন

আপডেট- ১৮-০১-২০২০ ১৫:৫৭:১৬

নির্বাচন পেছানো সম্ভব কিনা বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেবে কমিশন: রফিকুল ইসলাম

ec-reax-somoy

রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচন পেছানো আদৌ সম্ভব কিনা তা কমিশন বসে সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম। 

শনিবার (১৮ জানুয়ারি) দুপুরে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। 

এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।  

এদিকে, সরস্বতী পূজার দিনে সিটি নির্বাচনের তারিখ পরিবর্তনের দাবিতে ঢাবিতে তৃতীয় দিনের মতো আমরণ অনশন করছেন শিক্ষার্থীরা। আজও অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী। এদিকে, রাজু ভাস্কর্যে গিয়ে আন্দোলনের সঙ্গে সংহতি জানান হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ ও বাংলাদেশ হিন্দু জোট। 

গত বৃহস্পতিবার ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচন পেছানোর রিট খারিজ করে হাইকোর্টের দেয়া আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করা হয়।

ওই দিন সকালে আবেদনকারী আইনজীবী অশোক কুমার ঘোষ এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, আবেদনে সরস্বতী পূজার কারণে ৩০ জানুয়ারির নির্বাচনের ওপর স্থগিতাদেশ চাওয়া হয়েছে। আগামী রোববার (১৯ জানুয়ারি) এ আবেদনের ওপর আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

গত মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ রিট পেছানোর আবেদন খারিজ করে আদেশ দেন।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী অশোক কুমার ঘোষ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নূর উস সাদিক। নির্বাচন কমিশনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী তৌহিদুল ইসলাম। 

ওইদিন আদেশের পরে অশোক কুমার ঘোষ বলেন, হাইকোর্ট বিভাগ রিট আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন। আমরা সংক্ষুব্ধ (অ্যাগ্রিভড) এজন্য আপিল বিভাগে যাবো।

আগামী ২৯ ও ৩০ জানুয়ারি সরস্বতী পূজা রয়েছে উল্লেখ করে গত ৫ জানুয়ারি (রোববার) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অশোক কুমার ঘোষ এ রিট করেন। 

পরদিন অর্থাৎ ৬ জানুয়ারি তিনি বলেন, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের জন্য ৩০ জানুয়ারি নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু ২৯ ও ৩০ জানুয়ারি হিন্দু সম্প্রদায়ের সরস্বতী পূজা অনুষ্ঠিত হবে। 

তিনি বলেন, দেশের সমস্ত বিদ্যালয়, মহাবিদ্যালয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ে সরস্বতী পূজা হয়। নির্বাচন উপলক্ষে যেহেতু শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে ভোটকেন্দ্র স্থাপন করা হবে বিধায় এটি সাংঘর্ষিক।

আইনজীবী অশোক কুমার ঘোষ বলেন, এ অবস্থায় পঞ্চমী শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রতিমা বিসর্জন দেয়া যায় না। তাই নির্বাচনের তারিখ পরিবর্তন করে ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে নির্ধারণের জন্য হাইকোর্টে রিট (নম্বর-১৩১/২০২০) করা হয়েছে।