SomoyNews.TV

শিক্ষা সময়

আপডেট- ১৬-০১-২০২০ ১৬:৫৯:৪৭

বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ইন্টিগ্রেটেড প্ল্যাটফর্মে আসলে স্বচ্ছতা বাড়বে: ড. সাজ্জাদ

fair

দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো একটা ইন্টিগ্রেটেড প্ল্যাটফর্মে আসলে স্বচ্ছতা, দক্ষতা ও কর্মক্ষমতা অনেক বেড়ে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন। বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) সকালে সেগুনবাগিচার পূর্ত ভবন অডিটরিয়ামে এক অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন তিনি।

ইউজিসি এবং ডিজিটাল সার্ভিস এক্সিলারেটর, এটুআই, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সহযোগিতায় ‘ডিজিটাল সার্ভিস ডিজাইন অ্যান্ড প্ল্যানিং ল্যাব’ শিরোনামের ওই অনুষ্ঠান চলবে ২১ জানুয়ারি পর্যন্ত। 

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে সাজ্জাদ হোসেন বলেন, আমাদের আরও তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর হতে হবে। আমরা যারা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সার্ভিস দিচ্ছি সবই আসলে দেশের উন্নয়নের জন্য, দেশের কল্যাণের জন্য এবং নিজেদের জীবন ধারনের জন্য। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০৪১ নামে যে রূপকল্প দিয়েছেন সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো একটা কী রোল প্লে করবে।

তিনি বলেন, এটুআই সবাইকে নিয়ে সার্ভিসের মধ্যে ইনোভেশনকে সংযোজন করছে, সবার একটা সমন্বিত কাজের মাধ্যমে। এ ছয়দিন আমরা কী করব সেটা নিয়ে অনেকের মধ্যে একটা দ্বিধা ছিল। এই ছয়দিন আপনাদের উপস্থিতি, আপনাদের অংশগ্রহণ, আপনাদের স্ট্রাকচার এমন একটা জিনিস তৈরি করবে যা আমাদের একটা ইন্টিগ্রেটেড সিস্টেম ডেভলপ করতে সহায়তা করবে।

তিনি আরও বলেন, আমরা যে তথ্য-প্রযুক্তি বা হাইটেক পার্ক তৈরি করছি সেখানে ডাটা অ্যানালিটিক্স নাই। আমাদের শিক্ষকরা কোথায় অভিজ্ঞ কিংবা শিক্ষার্থীরা কোথায় কাজ করছেন কিংবা কী বিষয়ে অভিজ্ঞতা অর্জন করছেন তার কোনো পরিসংখ্যান আমাদের নাই। তবে ইউজিসির মাধ্যমে সব বিশ্ববিদ্যালয়গুলো একটা নেটওয়ার্কের মধ্যে আছে। 

তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যদি একটা ইন্টিগ্রেটেড প্ল্যাটফর্ম সিস্টেমের মধ্যে আসে তবে আমি বিশ্বাস করি আমাদের স্বচ্ছতা, দক্ষতা ও কর্মক্ষমতা অনেক বেড়ে যাবে। একই সঙ্গে আমরা বিশ্বের যেকোনো দেশের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় ভালো করতে পারব। 

ওই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম পিএএ। এছাড়া অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. অরুনা বিশ্বাস এবং মো. আব্দুল্লাহ আল হাসান চৌধুরী।