SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon মহানগর সময়

আপডেট- ১২-০১-২০২০ ০০:২৪:২৬

সড়কে অবৈধ দোকানপাট বসতে দেবে না সিএমপি

ctg-traffic

চট্টগ্রাম শহরকে যানজট মুক্ত করতে ট্যাক্সি, রিকশা ও প্রাইভেটকারের জন্য আলাদা পার্কিং স্পট নির্ধারণে কাজ শুরু করেছে সিএমপির ট্রাফিক বিভাগ। এছাড়া মূল সড়কে কোনো অবৈধ দোকানপাট বসতে না দেয়ারও সিদ্ধান্ত হয়েছে। শুরুতে গুরুত্বপূর্ণ ৫টি সড়কের ১০টি পয়েন্টকে এ নিয়মের আওতায় আনা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার।

চট্টগ্রাম নগরবাসীর প্রধান সমস্যা যানজট। তীব্র যানজটের কবলে পড়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় নষ্ট হওয়ায় অতিষ্ঠ জনজীবন। কোনো নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে যত্রতত্র গাড়ি দাঁড় করিয়ে রাখার কারণে কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না যানজট সমস্যা। তাই নগরীর প্রধান সড়কগুলোকে যানজট মুক্ত করতে ট্যাক্সি, রিকশা ও প্রাইভেটকারের জন্য আলাদা পার্কিং স্পট নির্ধারণে কাজ শুরু করেছে সিএমপি। সড়কের ওপর একপাশে যেমন সাদা রঙ দিয়ে গাড়ি দাঁড়ানোর জন্য চিহ্নিত করে দেয়া হচ্ছে, তেমনি মূল সড়কে বসতে দেয়া হচ্ছে না কোন ধরনের দোকানপাট।

পুলিশের সদস্য বলেন, যে জায়গায় গাড়ি পাকিংয়ের জন্য বরাদ্দ করা হবে। সেই জায়গাতেই গাড়িগুলো পাকিং করতে হবে। এবং যেকোনো জায়গায় এলোমেলো ভাবে গাড়ি যেন পাকিং না করে, একই সঙ্গে সড়কে যেন শৃঙ্খলা যেন ফিরে আসে।

পুলিশের আরেক সদস্য বলেন, এখানে যে রাস্তাগুলো দখলে আছে, এখন সেগুলো মুক্ত করব। এবং পরবর্তীতে দখল করা ফুটপাতগুলোও মুক্ত করব।

নগরীর বহদ্দারহাট, দুই নম্বর গেইট, কর্নেল হাট, আগ্রাবাদ, জিইসিসহ প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ-সড়কে চলছে যানজট নিরসনের কার্যক্রম। এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন গাড়ি চালক থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ।

এক পথচারী বলেন, এ ফলে মানুষ অবশ্যই সুফল পাবে। কারণ এরা অবৈধ স্থাপনাগুলো সরিয়ে, নির্দিষ্ট জায়গায় পাকিং স্থান নির্ধারণ করে দিচ্ছে।

আরেক পথচারী বলেন, ট্রাফিক পুলিশ ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভালো একটি উদ্যোগ নিয়েছে। এ জন্য এ উদ্যোগকে আমি সাধুবাদ জানাই।

শুরুতেই নগরীর পাঁচটি সড়কের ১০টি পয়েন্টকে এ নিয়মের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন ট্রাফিকের দায়িত্বে থাকা শীর্ষ পুলিশ কর্মকর্তা।

সিএমপি অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোস্তাক আহমেদ বলেন, চট্টগ্রাম এলাকায় প্রবেশ করা ও বের হওয়ার যে রাস্তাগুলো আছে, সেগুলোকে আমরা সম্পূর্ণ ফ্রি করতে চাই। এবং যানজট মুক্ত করতে চাই। আমরা প্রত্যোকটি মোড়ে রিকশা, অটোরিকশা ও প্রাভেটকারের জন্য আমরা পার্কিং স্থান নির্ধারণ করে দিচ্ছি। এবং তারা সেখানে থাকতে হবে, না থাকলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেব।

নগরীতে চলাচল করে ১৩ হাজার সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ৫০ হাজার প্রাইভেটকার আর দেড় লাখ রিকশা।