SomoyNews.TV

পশ্চিমবঙ্গ

আপডেট- ০৮-০১-২০২০ ১৭:২৭:৫৮

পশ্চিমবঙ্গে শ্রমিক ধর্মঘট: পুলিশ-বিক্ষোভকারী সংঘর্ষ

kol-news

ভারতের ১৪টি বামপন্থী ট্রেড ইউনিয়নের ডাকা ২৪ ঘণ্টার ধর্মঘটের প্রভাব পড়েছে পশ্চিমবঙ্গে। কলকাতার বেশ কয়েকটি জায়গায় বনধ সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তির ঘটনাও ঘটেছে। দুরপাল্লার রেল চলাচল স্বাভাবিক থাকলেও প্রভাব পড়েছে রাজ্যের রেল পরিষেবাতে। একইভাবে বাস চলাচলও কোথাও কোথাও ব্যাহত হচ্ছে। বিমানবন্দর স্বাভাবিক থাকলেও যাত্রীরা ঠিক সময় পৌঁছাতে পারছেন না। 

শ্রমিক, কর্মজীবী মানুষের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় সরকারের নানা দমন নীতির প্রতিবাদে ভারতে চলছে বামদলগুলোর শ্রমিক সংগঠনের ডাকা সাধারণ ধর্মঘট। ধর্মঘটে রাস্তায় নেমে সমর্থন না দিলেও নৈতিক সমর্থক রয়েছে জাতীয় কংগ্রেস এবং তৃণমূলে কংগ্রেসের। তবে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস ঘোষিতভাবে যে কোনও বনধ অবরোধ এবং ধর্মঘটের বিরুদ্ধে। আর সে কারণেই বুধবার রাজ্যজুড়ে কর্মদিবসকে স্বাভাবিক রাখতে তৃণমূল সরকারের পুলিশ কার্যত ধর্মঘট বিরোধী শক্তি হিসাবে পথে নামে। সে-কারণেই কলকাতার টালিগঞ্জ, শ্যামবাজার, ব্যারাকপুর, বারাসত এলাকায় ধর্মঘট সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় সংর্ঘষ বাধে।

বামপন্থী সংগঠনগুলোর সমর্থকরা কোথাও টায়ার জ্বালিয়ে, কোথাও প্রধানমন্ত্রীর কুশপুত্তলিকা পুড়িয়ে বিক্ষোভ করেন। কোথাও আবার এভাবে রেল লাইনে গড়ে তোলেন অবরোধও।

ধর্মঘটের সমর্থনের মিছিল করার সময় পুলিশ গ্রেফতার করে শীর্ষ বাম নেতা সুজন চক্রবর্তীকে। এদিন মিছিলে অংশ নেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু, বাম নেতা সূর্যকান্ত মিশ্র।

অন্যদিকে রাজ্য সরকারের মন্ত্রীরাও এদিন অফিস করেছেন। রাজ্য সরকারের কর্মীদের শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিত করতে তৃণমূল সরকার আগেই এদিন সব ধরণের ছুটি বাতিল করে। অফিসে উপস্থিত না থাকলে একদিনের বেতন কেটে নেওয়া হবে বলেও সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়