SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon বাংলার সময়

আপডেট- ০৭-০১-২০২০ ০৫:৪৭:৩৮

৯ বছরেও বিচার হয়নি ফেলানী হত্যার

kuri-felani

একে একে কেটে গেছে ৯ বছর। আজও হয়নি ফেলানী হত্যার ন্যায্যবিচার। বিএসএফের জেনারেল সিকিউরিটি ফোর্স কোর্টের বিচারে অভিযুক্ত বিএসএফ সদস্যকে খালাস দেয়া হয়েছে। এই রায়ের বিরুদ্ধে ভারতের সুপ্রীম কোর্টে রিট করা হলেও তারিখের পর তারিখ বদলেছে। শুনানি হয়নি। তারপরও বিচার পাওয়ার প্রত্যাশায় অপেক্ষার প্রহর গুনছেন স্বজনরা।

২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি ভোরে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার অনন্তপুর সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া পার হয়ে ভারত থেকে দেশে ফেরার সময় ১৪ বছরের কিশোরী ফেলানীকে গুলি করে হত্যা করে বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষ। তার লাশ কাঁটাতারের বেড়ায় ঝুলে ছিল ৫ ঘণ্টা। বিভিন্ন প্রক্রিয়া শেষে মৃত্যুর ৩০ ঘণ্টা পর ফেলানীকে সমাহিত করা হয়েছিল নাগেশ্বরী উপজেলার রামখানা ইউনিয়নের কলোনীটারী গ্রামের পৈত্রিক ভিটায়। এই শোকাবহ ঘটনা আজও ভুলতে পারেননি তার স্বজন ও গ্রামবাসীরা। তারা এই হত্যার উপযুক্ত বিচার চান।

ন্যায্যবিচার না পাওয়া পর্যন্ত বিচার চাইতেই থাকবেন বলে জানালেন ফেলানীর বাবা ও মা।

ফেলানীর মা জাহানারা বেগম বলেন, ফেলানী আমার বড় মেয়ে। যেভাবে তাকে মারা হয়েছে সেভাবে যাতে আর কাউকে হত্যা করা না হয় সেটাই আমার দাবি। আমি ফেলানী হত্যার বিচার চাই।

ফেলানীর বাবা নুর ইসলাম বলেন, ফেলানীকে গুলি করে হত্যা করা হলেও আমি এখনও তার বিচার পাইনি।

ভারতের সুপ্রীম কোর্ট রিটটি দ্রুত নিষ্পত্তি করে ন্যায্যবিচার নিশ্চিত করবেন, এমন প্রত্যাশা কুড়িগ্রামের পাবলিক প্রসিকিউটর এস এম আব্রাহাম লিংকন।

তিনি বলেন, মামলাটির রায় হলে সেটা উভয় রাষ্ট্রের জন্যই ভালো হবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

২০১৫ সালের আগষ্ট মাসের প্রথম সপ্তাহে কলকাতার মানবাধিকার সংগঠন 'বাংলার মানবাধিকার সুরক্ষা মঞ্চ'-এর সাধারণ সম্পাদক কিরিটি রায় এবং ফেলানীর বাবা নুর ইসলাম যৌথভাবে ফেলানী হত্যার বিচার চেয়ে ভারতের সুপ্রীম কোর্টে রিট আবেদনটি দায়ের করেন। রিটের হলফনামায় ফেলানীর বাবার পাশাপাশি কুড়িগ্রামের পাবলিক প্রসিকিউটর এসএম আব্রাহাম লিংকন স্বাক্ষর করেছিলেন।