SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon মহানগর সময়

আপডেট- ১২-১২-২০১৯ ১৮:৪৮:২৬

কেরানীগঞ্জের আগুনে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৩

dhaka-medical

ঢাকা কেরানীগঞ্জে প্লাস্টিক কারখানায় ভয়াবহ আগুনে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৩ জনে দাঁড়িয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) সকাল থেকে এখন পর্যন্ত ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন ৯ জন। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে সেখানকার পরিবেশ। দগ্ধদের মধ্যে কেউই শঙ্কামুক্ত নন বলে জানিয়েছেন বার্ন ইউনিটের প্রধান সমন্বয়ক ডা. সামন্তলাল সেন। এদিকে, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সব অবৈধ কারখানা সরিয়ে নেয়ার কথা জানান শ্রম ও কর্মসংস্থান সচিব।

প্রিয়জন হারানোর ব্যথায় স্বজনদের কাতরধ্বনি। কান্না আর আহাজারিতে ভারাক্রান্ত বার্ন ইউনিটের পরিবেশ ।

আগুনের লেলিহান শিখায় কেড়ে নিলো বেশ কয়েকটি তাজা প্রাণ। হারিয়ে গেলো পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিটি। 

বুধবার (১১ ডিসেম্বর) বিকেলে কেরানীগঞ্জের চুনকুটিয়ার প্লাস্টিক কারখানায় আগুনে ঘটনাস্থলেই মারা যান একজন। ভোররাত পর্যন্ত চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান আরো বেশ কয়েকজন। হাসপাতালের বিছানায় কাতরাচ্ছেন দগ্ধ শ্রমিকরা। তাদের কেউই শঙ্কামুক্ত নন বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।

বার্ন ইউনিটের প্রধান সমন্বয়ক ডা. সামন্তলাল সেন বলেন, কেউ শঙ্কামুক্ত না। প্রত্যেকে জীবন-মৃত্যুর সঙ্গে যুদ্ধ করছে। আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করছি।  

আহতদের দেখতে বৃহস্পতিবার সকালে হাসপাতালে যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীসহ অনেকেই। আগুনের ঘটনায় দগ্ধদের চিকিৎসার সব খরচ সরকার বহন করবে বলে জানান তারা।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান বলেন, যত অর্থের প্রয়োজন হবে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সেই অর্থ আমরা সরবরাহ করবো।  

আহত প্রত্যেকের পরিবারকে নগদ ২০ হাজার টাকা দেয়া হয়েছে। এছাড়া চিকিৎসার জন্য সকল খরচ সরকার বহন করবে বলে জানিয়েছেন ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী।

স্বাস্ব্যমন্ত্রী জাহেদ মালেক বলেন, মালিকদের কিছু উদাসীনতা আছে। ফ্যাক্টরির মালিক যারা রয়েছে তারা প্রয়োজনীয় দিক মেনে না চললে যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। 

এদিকে ঘটনাস্থলে চলছে ধ্বংসাবশেষ সরানোর কাজ। তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি আগুন লাগার কারণ। অগ্নিকাণ্ডের পর থেকেই লাপাত্তা পাওয়া যায়নি মালিকপক্ষের কাউকে।