SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon মহানগর সময়

আপডেট- ০৭-১২-২০১৯ ০৯:৫০:৩৮

ঢাকার চক্রাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের অপেক্ষায়

outer-road-2

ঢাকার চারপাশে হচ্ছে সড়ক, রেল ও নৌ-পথের চক্রাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা। এরই মধ্যে প্রকল্পের প্রাথমিক কাজও শুরু হয়েছে। অপেক্ষা মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের। অধিগ্রহণ জটিলতা কমানো ও পানি নিষ্কাশনসহ শহরের ভেতরের যোগাযোগ ব্যবস্থা বজায় দাবি রাখার স্থানীয়দের।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংস্থাগুলো সমন্বিতভাবে কাজ না করলে উন্নয়নের বদলে প্রকল্প বোঝায় রূপ নেবে। কর্তৃপক্ষের আশ্বাস, বিভিন্ন দপ্তরে দায়িত্ব বণ্টন করা হলেও আন্তঃযোগাযোগ থাকায় জটিলতা কমবে।

আশির দশকে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ হিসেবে তৈরি করা হয় আবদুল্লাহপুর থেকে মিটফোর্ড পর্যন্ত এ বেড়িবাঁধ। পরবর্তীতে এটি হয়ে ওঠে ব্যস্ত একটি সড়ক।

কয়েক দশক ধরে বারবার আশ্বাসের পরও ঢাকার পূর্বদিকের ‘ইস্টার্ন বাইপাস’ তৈরি হয়নি। তাই বন্যার আতঙ্কে থাকেন এখানকার জনগণ।

আশুলিয়ার ধউর থেকে আবদুল্লাহপুর পর্যন্ত চক্রাকারে হবে সড়কটি। প্রায় ছিয়াশি কিলোমিটারের মধ্যে ১৩ কিলোমিটার এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, পদ্মা সেতু কর্তৃপক্ষ ও পানি উন্নয়ন বোর্ড বাস্তবায়ন করবে। রাজধানীতে চলমান অন্য প্রকল্পগুলোকেও একইসঙ্গে বিবেচনার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।

যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ এসএম সালেহ উদ্দীন বলেন, আমাদের ল্যান্ডিউস প্ল্যানিং এবং ট্রান্সপোর্ট প্ল্যানিং সমন্বিত করে রোডের জায়গা বাড়ানো হচ্ছে। যাতে যারা ঢাকায় এসে কাজ করে তারা সহজে যাতায়াত করতে পারে। তাদের ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা এমন করতে হবে যাতে মানুষ মানিকগঞ্জ থেকে এসেও কাজ করে চলে যেতে পারে।

কর্তৃপক্ষ জানায়, সম্ভাব্যতা যাচাই, নকশা প্রণয়নসহ প্রস্তুতি শেষ। জমি অধিগ্রহণসহ মাঠ পর্যায়ে কাজ শুরু করতে ৩ বছর সময় লাগবে।

সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. সবুজ উদ্দীন খান বলেন, নৌ রোড, রেলওয়ে এবং রোড হবে। সর্বমোট খরচ পড়বে ১২ হাজার কোটি টাকা। এবং এর মধ্যে ভূমি অধিগ্রহণ প্রায় অর্ধেক। এ রোডগুলোতে সব ধরনের সুবিধা থাকবে। 

এছাড়া তুরাগ, বালু, শীতলক্ষ্যা, বুড়িগঙ্গা নদীর পাড়ে দখল উচ্ছেদ, ওয়াকওয়ে নির্মাণসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কাজ করছে বিআইডব্লিউটিএ।