SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon মহানগর সময়

আপডেট- ০৭-১২-২০১৯ ০৯:১২:২৩

চট্টগ্রামে শীতের পোশাকে লাভের প্রত্যাশা ব্যবসায়ীদের

untitled-2-2

চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জের আমিন মার্কেটে জমে উঠেছে আমদানিকৃত শীতের পুরানো কাপড়ের বেচাকেনা। তাইওয়ান, জাপান, কোরিয়া থেকে আমদানির মাধ্যমে এ সব কাপড় সরবরাহ করা হয় সারা দেশে। শত কোটি টাকা বিনিয়োগের এ ব্যবসায় গত কয়েক বছর শীত কম থাকায় লোকসানের সম্মুখীন হলেও এবার লাভের প্রত্যাশা করছেন ব্যবসায়ীরা।

চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে ব্যবসায়ীরা সারা বছরই যুক্ত থাকে ভোগ্যপণ্যের পাইকারি ব্যবসার সাথে। তবে শীতকাল আসলেই আমিন মার্কেটের ৫০ থেকে ৬০টি দোকানের ব্যবসায়ীরা আমদানি করেন পুরনো শীতের কাপড়। 

বন্দর দিয়ে তাইওয়ান, কোরিয়া, জাপান থেকে নিয়ে আসা হয় পুরাতন কাপড়ের গাঁট। মূলত শীত যতদিন থাকে ততদিন এই ব্যবসার সাথে যুক্ত থাকেন ব্যবসায়ীরা। আমদানিকৃত গাঁট গুলোর মধ্যে শিশুদের পোশাক, সোয়েটার, গরম কাপড়, কম্বলসহ বিভিন্ন ধরনের কাপড় থাকে। মূলত নিম্ন আয়ের মানুষদের টার্গেট করে এসব কাপড় আনা হয়। এই কারণে খাতুনগঞ্জে ভিড় করছেন দেশের খুচরা ব্যবসায়ীরা।

ব্যবসায়ীরা বলেন, বিভিন্ন ধরনের পুরাতন কাপড় কম টাকায় এখানে পাওয়া যায়। এখান থেকে কিনে আমরা দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করি। 

মূলত শীতের উপর নির্ভরশীল এই ব্যবসা। শীত যতো বেশি হবে, ব্যবসাও হবে জমজমাট। গত কয়েক বছর ধরে ঠাণ্ডার প্রকোপ ছিল অনেক কম। এ কারণে লোকসানে পড়তে হয়েছিল ব্যবসায়ীদের। তবে, এবার ভাল ব্যবসার আশাবাদ ব্যবসায়ীদের।

আমদানিকারকরা জানান, চার মাসের এই ব্যবসায় ১'শ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেন ব্যবসায়ীরা।

আমদানিকারক মো. রাশেদ আজগর বলেন, প্রায় চল্লিশজন ইমপোর্টার আছে তারা এটা নিয়ন্ত্রণ করেন। এটা বড় লোকের ব্যবসা না, সাধারণ মানুষের জন্য উপকারী এই ব্যবসা। 

একটি কাপড়ের গাঁট চার হাজার টাকা থেকে শুরু করে মান ভেদে বার হাজার টাকায় বিক্রি হয়। দেশের প্রায় এক থেকে দেড় কোটি মানুষ শীতকালীন এই কাপড়ের উপর নির্ভরশীল বলে জানান ব্যবসায়ীরা।