SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon মহানগর সময়

আপডেট- ২২-১১-২০১৯ ১৪:৩২:৩১

সড়ক খাত কি কুক্ষিগত

strike-flw

সরকারের গুরুত্বপূর্ণ একাধিক মন্ত্রীর প্রচেষ্টায় ফল না আসলেও সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের কার্যকরী সভাপতি শাজাহান খানের ঘোষণায় অবশেষে সচল হলো দেশের পরিবহন খাত। চার থেকে পাঁচ দিন পর যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হলেও এবার প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, তবে কি একক কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর কুক্ষিগত হয়ে পড়ছে গুরুত্বপূর্ণ এই খাত? দেশের পরিবহন ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিকল্প ব্যবস্থা তৈরি করতে না পারার রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতার সুযোগই নিচ্ছে একটি মহল।

পরিবহন শ্রমিকদের ধর্মঘট প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছেন সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের কার্যকরী সভাপতি শাজাহান খান। দীর্ঘ অচলাবস্থা শেষে অবশেষে নির্দেশ আসলো পরিবহন নেতার। এর পরপরই স্বাভাবিক হতে শুরু করে দেশের পরিবহন ব্যবস্থা। শুক্রবার সকাল থেকে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সবকটি বাস টার্মিনাল থেকেই শুরু হয় স্বাভাবিক বাস চলাচল।

পরিবহন খাতের স্থবিরতা থেকে মুক্তি দিতে এর আগে সরকারের দুই মন্ত্রী নানা প্রচেষ্টা চলালেও তা ব্যর্থ হয়। পরিবহন শ্রমিকরা বন্ধ রাখেন যান চলাচল।

পরিবহন বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিনের একক আধিপত্যের সুযোগ নিয়ে মতের অমিল হলেই পরিকল্পিতভাবে অকার্যকর করা হয় পরিবহন ব্যবস্থা। জিম্মি দশায় পড়েন সাধারণ মানুষ। এমনকি অসহায় হতে হয় রাষ্ট্রকেও।

পরিবহন বিশেষজ্ঞ সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, পৃথিবীর কোথাও পরিবহন সেক্টর ব্যক্তি-গোষ্ঠীর উপর নেই। তারা সরকারের নিয়ম-নীতি অনুযায়ী চলে, কোনো দাবি থাকলে সরকারের সঙ্গে কথা বলে।

আলোচনার মাধ্যমে যে কোনো সমস্যার যৌক্তিক সমাধান সম্ভব জানিয়ে তিনি আরও বলেন, পরিবহন সংগঠনগুলো যাতে যখন-তখন ধর্মঘট ডাকতে না পারে সেজন্যও করতে হবে আইন প্রণয়ন।

সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, আইনের মধ্যে এই ধারা আনা উচিত যে, কেউ যদি জনগণের স্বার্থে গাড়ি চালায় এবং সেটাতে অন্য কেউ বাধা দেয় তবে তাকে শাস্তি পেতে হবে।

সড়ক পরিবহন আইন - ২০১৮ নিয়ে পরিবহন মালিক - শ্রমিকদের কিছু দাবির বিষয়ে একমত পোষণ করে, বাস্তবতার নিরিখে দণ্ড নির্ধারণ ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তোলারও পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।