SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon বাণিজ্য সময়

আপডেট- ২২-১১-২০১৯ ০৩:৫১:১৫

কাঁচামালের দাম নিয়ে শঙ্কিত পোল্ট্রি ব্যবসায়ীরা

poltry-copy

বিগত এক যুগে পোল্ট্রি, মৎস্য ও ডেইরি ফিডের কাঁচামালের দাম দ্বিগুণ হলেও কমেছে ব্রয়লারের দাম। কাঁচামালের দাম নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে এ খাতে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা। একইসঙ্গে বেকার হয়ে পড়বে কয়েক লাখ তরুণ উদ্যোক্তা। বাজার ব্যবস্থায় সরকারের কঠোর হওয়া উচিত বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদরা। যদিও মংস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব বলছেন, মুক্ত বাজারে দ্রুত দাম নিয়ন্ত্রণ অসম্ভব। 

২০০৭ সালে ব্রয়লার মুরগির দাম ছিল একশ টাকা কেজি। সেখানে এক যুগ পরেও দাম আরও কমে খামার পর্যায়ে বিগত ৪-৫ মাসে বিক্রি হয়েছে ৮৫ থেকে ১০০ টাকায়। বিপরীতে খাবারের কাঁচামালের দাম বেড়েছে ২৭ থেকে ৩১৬ শতাংশ পর্যন্ত। এক বছরের ব্যবধানে কেজিপ্রতি দাম বেড়েছে ৫ থেকে ১০ টাকা। এ অবস্থায় আশঙ্কার কথা জানিয়ে ফিড ইন্ডাস্ট্রি মালিকরা বলছেন, কাঁচামালের দাম সহনীয় পর্যায়ে না থাকলে পথে বসতে হবে। অন্যদিকে খাঁড়ার ঘা হয়েছে আগাম ও উৎসে কর কাঠামো।

স্পেকট্রা ফিডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আহসানুজ্জামান বলেন, কিছু কিছু জিনিসিপত্রের দাম বেড়েছে। বিশেষ করে চাউলের কুড়া দাম বেড়েছে।

পোল্ট্রির মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ আমিষের চাহিদা পূরণে বিশ্বে প্রথম সারির দেশে রয়েছে বাংলাদেশ। এজন্য সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখতে কাঁচামালের দাম নিয়ন্ত্রণসহ কৃষিনীতি সহায়তা দেয়ার পরামর্শ অর্থনীতিবিদদের।
 
মুক্ত বাজার অর্থনীতিতে দাম নিয়ন্ত্রণ সহজ নয় বলে মনে করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব।

বাজার বিশ্লেষক ড. মোহাম্মদ আবু ইউসুফ বলেন, ইনকাম ট্যাক্স সহজ লভ্য করা যায় কী না তা বিবেচনা করা দরকার। 

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব বলেন, রাতারাতি খাদ্যের দাম কেজি প্রতি কমাতে পারব এমন নয়। 

একদিকে উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, বিপরীতে দাম না পাওয়া। এমন অবস্থা চলতে থাকলে পোল্ট্রি শিল্প পুরোপুরি ধ্বংসের পাশাপাশি বিদেশিদের হাতে চলে যাওয়ার শঙ্কা সংশ্লিষ্টদের। বর্তমানে এ খাতে নিয়োজিত আছেন প্রায় ৬০ লাখ খামারি।