SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon মহানগর সময়

আপডেট- ২০-১১-২০১৯ ১৫:০৭:৪১

শিশুর প্রতি যৌন নিপীড়নের প্রথম ধাপ র্স্পশ

touch

শিশুর প্রতি যৌন নিপীড়নের প্রথম ধাপ র্স্পশ। যার ৯০ শতাংশের পেছেনেই থাকেন পরিবার সংশ্লিষ্ট কেউ। কখনো কখনো স্নেহের নাম দেয়া হলেও শিশুর দেহে খারাপ স্পর্শ প্রভাব ফেলে শারীরিক ও মানসিকভাবে। তাই মনবিদরা পরামর্শ দিয়েছেন, শিশুদের যে কোনো অভিযোগ মনযোগ দিয়ে শুনতে হবে।

স্পর্শ, যা হতে পারে বিশ্বাস আর নির্ভরতার। আবার তৈরি করতে পারে অস্বস্তি। কখনো কখনো বড়দের দৃষ্টিতে স্নেহের স্পর্শ শিশুদের কাছে হয় লজ্জা আর বিব্রতকর। একে ভাগ করা হচ্ছে ‘গুড টাচ ব্যাড টাচ’। বাংলায় ভালো স্পর্শ, খারাপ স্পর্শ।

বেশিরভাগ শিশুই বুঝেতে পারে না নিজের শরীরের স্পর্শকাতর অংশগুলো কি। যেমন শিশুর মুখ, বুক, দু পায়ের মাঝের অংশ ও নিতম্ব বা পেছনের অংশ। কন্যা বা ছেলে শিশু উভয়ের ক্ষত্রেই শরীরের র্স্পশকাতর অংশগুলো সমান। যে কেউ শরীরের এই অংশগুলো যদি খারাপ অভিপ্রায়ে স্পর্শ করে এবং শিশু অশ্বস্তিতে পড়ে তবে বুঝতে হবে সে স্পর্শ শালীন বা সঠিক নয়। কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আমরা স্নেহ বলে শিশুর অস্বস্তির বিষয়গুলো এড়িয়ে যাই।

এছাড়া কখনো কখনো শিশুর মাথা, মুখমণ্ডল, ঘাড় ও কাঁধ, পেট, উরু ও পায়ের পাতা খারাপ উদ্দেশ্য স্পর্শ করলে তা অস্বস্তিতে ফেলে শিশুকে। এছাড়া শিশুর অভিযোগ এড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা শিশুকে আরো অনিরাপদ করে। যার প্রভাব দীর্ঘমেয়াদী।

তবে শিশুর যত্নের প্রয়োজনে বাবা মা ছাড়া শুধুমাত্র ডাক্তার এই অংশগুলো প্রয়োজনে স্পর্শ করতে পারে। সেক্ষত্রে বাবা মায়ের উপস্থিতি থাকতে হবে।

ব্রাক ও ব্রাক ইন্টারন্যাশনাল কমিউনিকেশনস আউট রিচের পরিচালক মৌটুসি কবির বলেন, শিশুরা যখন যৌন নির্যাতনের শিকার হয় তখন সে আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে হয়। চেনা মানুষের কাছ থেকে বেশি হয়রানির শিকার হয়।