SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon বাংলার সময়

আপডেট- ১৭-১১-২০১৯ ১১:০৫:৩৫

২-৩ বছর উৎপাদিত পেঁয়াজের ন্যায্যমূল্য পাননি চাষিরা

গত ২ থেকে ৩ বছর উৎপাদিত পেঁয়াজের ন্যায্যমূল্য পাচ্ছেন না দেশের প্রান্তিক চাষিরা। এ অবস্থায় চলতি মৌসুমের শুরুতেই হঠাৎ বৃষ্টিতে নষ্ট হয়ে যায় পাবনাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পেঁয়াজের বীজতলা।

এরপর নতুন করে পেঁয়াজ লাগান চাষিরা। এতে খরচের বাড়তি বোঝা চাপে কৃষকের ঘাড়ে। তাই এবারও পেঁয়াজের ন্যায্যমূল্য পাওয়া নিয়ে শঙ্কিত কৃষকেরা।

এদিকে, নতুন পেঁয়াজ বাজারে আসতে এখনও সময় লাগবে ২ থেকে ৩ মাস।

মানিকগঞ্জের ঘিওর, শিবালয় ও হরিরামপুর উপজেলায় জমিতে পেঁয়াজ রোপন করছেন কৃষকরা। গত বছর জেলায় ৫ হাজার ৭৪১ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ আবাদ করা হয়। তবে এ বছর ৫৯ হেক্টর বেড়ে ৫ হাজার ৮শ' হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বৃষ্টির কারণে বীজতলা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় নতুন করে আবাদ করছেন বলে জানান কৃষকরা। এ পেঁয়াজ ৩ মাস পর উঠবে বলে জানান তারা।

পেঁয়াজ ভান্ডার হিসেবে খ্যাত পাবনায় গত বছর ৪৮ হাজার ১৫০ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ আবাদ করা হয়। চলতি মৌসুমে ১ হাজার ১৬৫ হেক্টর বেড়ে ৪৯ হাজার ৩১৫ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে কৃষি বিভাগ।
বৃষ্টিতে বীজতলা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় নতুন করে পেঁয়াজ আবাদ করেন কৃষকরা। তারা বলছেন, আগামী ২ মাস পর বাজারে আসবে নতুন পেঁয়াজ।

গত বছর নাটোরে ৩ হাজার ৩৪৪ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ আবাদ করে ৪৮ হাজার ৫৩ মেট্রিক টন পেঁয়াজ উৎপাদন হয়। তবে চলতি মৌসুমে বৃস্টিপাতের কারণে ১ হাজার একশ' হেক্টর কমে, ২ হাজার ২৪৪ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

তবে আগামী এক মাস পর নতুন পেঁয়াজ বাজারে উঠবে বলে জানান কৃষকরা।

গত বছর ফরিদপুরে ৩৫ হাজার ৩৫৫ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ আবাদ করা হয়। তবে মাটির গুনাগুণ ও অনুকূল আবহাওয়ার কারণে এ বছর জেলায় ৩৬ হাজার হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে কৃষি বিভাগ।