SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon বাংলার সময়

আপডেট- ১৭-১১-২০১৯ ০৫:৩৯:১৩

সরকারের অর্থ হাতিয়ে নিতে সংঘবদ্ধ চক্র সক্রিয়

হাটিকুমরুল-রংপুর মহাসড়ক ৬ লেন প্রকল্পে অধিগ্রহণের জন্য নির্ধারিত জমিতে রাতারাতি গড়ে উঠছে শত শত স্থাপনা। সরকারের অধিগ্রহণ নীতিমালার 
ফাঁক-ফোকরে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিতে সংঘবদ্ধ একটি চক্র সক্রিয়। সময় সংবাদের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে খোদ 'সড়ক ভবনে' ঘাপটি মেরে থাকা মূল হোতার পরিচয়। 

রাজধানী ঢাকার সঙ্গে উত্তরাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের দ্বিতীয় ধাপে এবার হচ্ছে মহাসড়কের ১শ ৯০ কিলোমিটার অংশে ৬ লেনের কাজ। বরাদ্দ হয়েছে ১১ হাজার ৮শ ৯৯ কোটি টাকা। দুই ধাপে সম্প্রসারণে ১শ ৯৯ হেক্টর জমি অধিগ্রহণের ঘোষণা এসেছে। নীতিমালা অনুযায়ী স্থাপনাসহ জমির দাম কয়েক গুণ বেশি হওয়ায় এইসব জমির মালিককে হাত করে চক্রটি রাতারাতি সড়কের দুই ধারে তৈরি করছে শত শত স্থাপনা।

একজন বলেন, আমাদের সরকার তো কোনো নোটিশ দেয় নাই। আমার নিজস্ব জায়গায় আমি তৈরি করেছি। এটা সিটি করপোরেশনের অনুমোদিত।

আরেকজন বলেন, হঠাৎ করে রাতারাতি তারা সরকারি জায়গায় স্থাপনা তৈরি করেছে। এর কারণ তারা ৫ হাজার বিনিয়োগ করে সরকারের কাছ থেকে ৫০ হাজার নিয়ে নিবে।

অনুসন্ধানে পাওয়া চক্রের হোতা আতোয়ার রহমান রংপুর সড়ক ভবনের কর্মচারী। নিজেই দিলেন লাভের আশায় এসব কারবারের স্বীকারোক্তি।

একজন বলেন, জমিটা আমি আশা করে কিনেছি, কারণ পরে যেন বিক্রি করতে পারি।

অবশ্য নিজেদের কেউ জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করলেন তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী।

রংপুর সড়ক ও জনপদ বিভাগ তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মাহবুবুল আলম খান বলেন, এখানে আমাদের কেউ জড়িত থাকার কথা না। তারপরও কারও জড়িত থাকার কথা জানতে পারি। তাহলে তার বিরুদ্ধে অফিসিয়াল ব্যবস্থা নিবো।

নগরীর প্রবেশমুখ দমদমা বধ্যভূমিকে আড়াল করে মহাসড়কের ধারে দ্রুত গড়ে ওঠা এই দোকানঘরগুলোর মালিক আতোয়ার রহমান।