SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon বিনোদনের সময়

আপডেট- ১৬-১১-২০১৯ ০৫:৩২:০৫

সলিল চৌধুরীর জন্মদিন উদযাপনে ‘জলতরঙ্গ’

n

‘আমি ঝড়ের কাছে রেখে গেলাম আমার ঠিকানা’; না, তিনি ঝড়ের কাছে নন। মহাকালের কাছে রেখে গেছেন তাঁর ঠিকানা। তিনি পৃথিবী ত্যাগ করেছেন, তবে তাঁর গান কালের যাত্রায় ধ্বনিত হয়ে চলেছে। তিনি আর কেউ নন, তিনি সলিল চৌধুরী। গান আর সুর নিয়েই জন্মেছিলেন তিনি। বাংলা ও হিন্দি ভাষায় উপহার দিয়েছেন একের পর এক অবিস্মরণীয় গান। গণসঙ্গীতের সর্বজনীন আবেদন বার বার এসেছে তাঁর গানের কথা আর সুরের মূর্ছনায়। প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের সুর আর বাঁশির বুনিয়াদে সঙ্গীতের প্রাসাদ গড়েছেন সলিল। যে প্রাসাদ প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বিপ্লব-সংহতি এবং শান্তির প্রতীকী বহন করে। 
  
আগামী ১৯ নভেম্বর বাংলার তথা সমগ্র ভারতের প্রবাদপ্রতীম সুর স্রষ্টা সলিল চৌধুরীর জন্মদিন। এ উপলক্ষ্যে প্রথমবারের মতো গানে গানে তাঁকে স্মরণ করবে প্রতিশ্রুতিশীল শিল্পীদের সংগঠন ‘জলতরঙ্গ’। ২২ নভেম্বর সন্ধ্যা সোয়া ৬টায় রাজধানীর শাহবাগে অবস্থিত গণগ্রন্থাগার মিলনায়তনে সলিল চৌধুরীর কালজয়ী গান, কবিতা আর জীবনীর কিছু অংশ শৈল্পিক আবহে উপস্থাপন করা হবে।
 
সলিলের জন্মদিন উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি নিয়ে জলতরঙ্গের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন তপন বলেন, তাঁর সৃষ্টির মধ্য দিয়েই জন্মদিনের আয়োজনটি আমরা সবাই মিলে উদযাপন করবো। আর এজন্য চলতি বছরের মার্চ মাস থেকেই আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি, প্রায় প্রতিদিনই চলছে মহড়া। 

সলিল চৌধুরীর গান কী এবং কেন, তা নিয়ে পাতার পর পাতা লেখা হয়েছে, ভবিষ্যতেও হবে। সেখানে রয়েছে সঙ্গীতজ্ঞের অধিকার। কিন্তু শ্রোতার অধিকার তাঁর গানে নতুন করে নিজেকে হারিয়ে ফেলায়। সে রোমাঞ্চের হাতছানিই যেন জলতরঙ্গের এবারের আসর।
   
সংগীত এবং কাব্য সাহিত্য নিয়ে কাজ করে চলেছে জলতরঙ্গ। সংগঠনটির সভাপতি মাসুদা খান ইতি বলেন, সংগঠনটি আমরা সাজিয়েছি কিছু নতুন মুখ নিয়ে। কিন্তু তারা মননে সংগীতকে আরাধনা এবং প্রার্থনা হিসাবেই দেখেন। সুরের মূর্ছনায় যে ভাবের উদয় হয় তাকেই তারা ধারণ, লালন এবং পালন করেন। পুরনো দিনের গান কবিতা নিয়ে শ্রোতার আসর আয়োজন এবং প্রকাশনা করা হচ্ছে নিয়মিতভাবে। ২০১৪ সালে ছায়ানটে একটি মনোজ্ঞ গীতি আলেখ্য’র মাধ্যমে জলতরঙ্গের জন্ম।