SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon বাংলার সময়

আপডেট- ১৫-১১-২০১৯ ০৯:৪৭:২৬

বিপ্লব ঘটেছে বাগেরহাটের সিডর বিধ্বস্ত এলাকায়

bager-sidor

সাইক্লোন সিডরের আঘাতে উপকূলবাসী ক্ষত-বিক্ষত হয় ২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর। এক যুগে সেই ধ্বংসযজ্ঞ থেকে আজ ঘুরে দাঁড়িয়েছে উপকূলের জেলা বাগেরহাট। সরকারের নানা উন্নয়ন প্রকল্প ও কৃষি কাজে বিপ্লব ঘটেছে। শুধু তাই নয়, টেকসই বেড়িবাঁধের দাবিও পূরণ হতে চলেছে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাতে।

২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বরের প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় সিডরের জলোচ্ছ্বাসে বলেশ্বর নদী সংলগ্ন শরণখোলা ও মোরেলগঞ্জ উপজেলায় শত শত মানুষের প্রাণহানি ঘটে। সিডরের পর থেকেই টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবি তোলে এলাকাবাসী। সেই বাঁধের ৭০ ভাগ নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় নির্মাণ হয়েছে ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র, রাস্তাঘাট, বিদ্যুৎ সংযোগ, কালভার্টসহ নানা অবকাঠামো। এলাকাবাসী, নদী শাসন করে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবি জানান।

জনপ্রতিনিধিরা বলছেন, সিডরের ক্ষত কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ।

শরণখোলার রায়েন্দা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান মিলন বলেন, ওই প্রাকৃতিক দুর্যোগের পর শরণখোলার মানুষ মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে। 

এদিকে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে কোস্টাল ইমব্যাংকমেন্ট ইমপ্রুভমেন্ট প্রজেক্টের অধীনে উপকূলের ৬২ কিলোমিটার টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ ২০২০ সালের জুনে শেষ হবে।

খুলনার সিইআইপি প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আশরাফুল আলম বলেন, এই প্রকল্পের ৭০ শতাংশ কাজ এরইমধ্যে শেষ হয়েছে। চলতি অর্থবছরের জুনে আমরা শতভাগ কাজ শেষ করতে পারব।

জেলা প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তা জানান, দরিদ্র এলাকার মানুষের উন্নয়নে কাজ করা হচ্ছে।

বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ বলেন, প্রত্যেক ক্ষেত্রেই দুর্যোগসহনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

সিডরে জেলায় ৯০৮ জনের প্রাণহানি ঘটে। আর দেড় লক্ষাধিক বাড়িঘর, গাছপালা ও রাস্তাঘাট ক্ষতিগ্রস্ত হয়।