SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon বাংলার সময়

আপডেট- ১৫-১১-২০১৯ ০২:২৭:১৯

মাছ শিকারে সাগরে ছুটছেন জেলেরা

cox-fisher-copy

ঘূর্ণিঝড় বুলবুল এর প্রভাব কেটে যাওয়ায় আবারো সাগরে মাছ শিকারে যাচ্ছেন কক্সবাজার উপকূলের জেলেরা। উপকূলের বাঁকখালী নদীর মোহনা, ফিশারিঘাট, নুনিয়ারছড়া, মাঝির ঘাট ও নাজিরারটেক থেকে ট্রলারগুলো সাগরে রওনা হয়। তবে মৎস্য ব্যবসায়ী ও ট্রলার মালিকরা বলছে, দুর্যোগকালে সরকারের প্রচার-প্রচারণা সঠিক সময়ে পাওয়ায় সাগরে ট্রলারডুবি কিংবা জেলে মৃত্যুর ঘটনা অনেকাংশে কমেছে। আর সাগরে মাছের উৎপাদন বাড়ায় কয়েক দিনের মধ্যে আবারো মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র মাছে সয়লাব হয়ে যাবে বলে আশা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের কর্মকর্তার। 

ইলিশের প্রজনন মৌসুমের কারণে ২২ দিন বন্ধ থাকায় গত ৩১ অক্টোবর থেকে সাগরে মাছ শিকারে যেতে শুরু করেন কক্সবাজার উপকূলের জেলেরা। কিন্তু কয়েকদিন শিকার করতে না করতে ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের কারণে উত্তাল হয়ে ওঠে সাগর। ফলে মাছ শিকার না করে জীবন বাঁচাতে উপকূলে ফিরতে বাধ্য হন জেলেরা। এরপর ৫ দিন উপকূলে ট্রলার নোঙর করে বেকার বসে থাকেন তারা।

জেলেরা বলছেন, আজকে পাঁচদিন ধরে বসে আছি। এখন আকাশ ভালো হওয়ায় আবার সাগরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি। যদি দুইদিনে মাছ পাই তাহলে দুদিন পর চলে আসি না হলে দশদিন পরেই ফিরে আসব।  

মৎস্য ব্যবসায়ী ও ট্রলার মালিকদের দাবি, আগে প্রাকৃতিক দুর্যোগকালে ট্রলারডুবি ও জেলেদের মৃত্যুর ঘটনা বেশি ঘটতো। কিন্তু এখন সরকারের প্রচার-প্রচারণা সঠিক সময়ে পাওয়ায় মৃত্যুর ঘটনা অনেকাংশে কমেছে।

জেলেরা বলছেন, সমুদ্রে নেটওয়ার্ক পাওয়ার কারণে আমরা দুর্ঘটনার কারণ জানতি পারি। তাই বিপদ হওয়ার আগেই আমরা ফিরে আসতে পারি।

মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের কর্মকর্তা জানান, আবহাওয়া স্বাভাবিক হওয়ায় আগামী ৪-৫ দিনের মধ্যে মাছের সংকট কেটে যাবে।

কক্সবাজার মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের  মাকের্টিং কর্মকর্তা মো. দেলোয়ার হোসেন, সবগুলো ট্রলার ক্রমানয়ে সাগরে যাচ্ছে। তারা মাছ ধরার পর ফিরে এসে আড়তে তুলবে। 

চলতি মাসের ৮ নভেম্বর পর্যন্ত কক্সবাজার মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে মাছ অবতরণ হয় প্রায় চারশ’ টন। যা থেকে রাজস্ব আদায় হয়েছিল আড়াই লাখ টাকা। কিন্তু ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের কারণে ৫ দিন মাছশূন্য ছিল মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র।