SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon বাণিজ্য সময়

আপডেট- ১৫-১১-২০১৯ ০২:১৮:০২

‘কমিশনের আড়ালেই চলে পেঁয়াজ নিয়ে কারসাজি’

onion-syndi-copy

চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার পেঁয়াজের ব্যবসা হলেও কোনো আমদানিকারক নেই। যে কজন আছে তারাও করে না আমদানি। সবাই ব্যবসা করে পেঁয়াজের কমিশন এজেন্ট হিসেবে। এটিকে কৌশল আখ্যায়িত করে ক্যাব বলছে, কমিশন এজেন্টের আড়ালে চলে বাজার কারসাজি আর অস্থিরতা। আবার কমিশন এজেন্টের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসনেরও আছে নানা অনিয়মের অভিযোগ।

পেঁয়াজ এজেন্টরা বলছেন, আমরা তো রিস্ক নিয়ে আড়ত মাদিলকদের কাছে কমিশনে মাল বিক্রি করি। সকলের লোকসান হচ্ছে। আমরা কমিশন পেলে পেঁয়াজ নিয়ে আসছি, না পেলে নিচ্ছি না। 

জেলা প্রশাসনের দেয়া তথ্যে ৫০টিসহ চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে একশ’র বেশি পেঁয়াজের কমিশন এজেন্ট রয়েছে। এদের অনেকেই নানা দেশ থেকে আদা, রসুন ও মসলাসহ নানা ভোগ্যপণ্য আমদানি করে। কিন্তু দু’একজন ছাড়া কেউ পেঁয়াজ আমদানি করে না। সবাই আমদানিকারকদের কাছ থেকে পেঁয়াজ নিয়ে কমিশনে ব্যবসা করে। এতো বড় বাজারে পেঁয়াজের আমদানিকারক না থাকা তা নিয়ে সন্দেহ আর কৌতূহল আছে সবার মাঝে। এজেন্টরা বলছেন, কেউ রিস্ক নিয়ে আমদানি করে ক্ষতির মুখে পড়তে চায় না।

খাতুনগঞ্জে স্বাভাবিক সময়ে দিনে ২শ’ থেকে ৩শ’ টন পেঁয়াজ কেনাবেচা হয়। যার বাজার মূল্য কোটি টাকার বেশি। ব্যবসায়ী নেতারা বলছেন, ভারত পেঁয়াজ নিয়ে বারবার অস্থিরতা সৃষ্টি করে। তাই ক্ষতির মুখে পড়ে আগ্রহ হারাচ্ছে সবাই।

খাতুনগঞ্জ হামিদুল্লাহ মিয়া মার্কেট আড়তদার সমিতির মো. ইদ্রিস বলেন, এখানে ৫১ জনের একটা দল আছে। এখানে যে রেট নির্ধারণ করেন তারা সেভাবেই পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে। 

কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) বলছে, কমিশনের আড়ালেই চলে পেঁয়াজ নিয়ে নানা কারসাজি আর অস্থিরতা। আর এটিকে জেলা প্রশাসন দেখছে কৌশল হিসেবে।

খাতুনগঞ্জে এখনও কেজিতে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে মানভেদে ৭০ থেকে ১১০ টাকায়।