SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon বাংলার সময়

আপডেট- ১৪-১১-২০১৯ ১৯:৫৬:৩৯

দুই বান টিন আর ছয় হাজার টাকায় কি ঘর তুলতে পারি?

bho-bulbul-up-2

ঘূর্ণিঝড় বুলবুল আঘাত হানার ৪দিন পরও ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি ভোলার ঘরবাড়ি হারানো দরিদ্র পরিবারগুলো। কেউ প্রতিবেশীর বাড়িতে কেউ খোলা আকাশের নিচে দিন কাটাচ্ছেন। ত্রাণ সরবরাহের পাশাপাশি নিঃস্ব পরিবারকে পুনর্বাসনে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন জেলা প্রশাসক। 

ভোলার চরফ্যাশনের দক্ষিণ মঙ্গল গ্রামের গৃহহারা মিনারা বেগম শিশুসন্তানকে নিয়ে শূন্যভিটায় বসে আছেন। পাশেই ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের আঘাতে লণ্ডভণ্ড হয়ে যাওয়া মালামালগুলো ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে আছে। আর পাশের ভিটির খলিল মাঝির শূন্যভিটায় ঝড়ে ভিজে যাওয়া মালামাল শুকাচ্ছেন। 

আর পরিবারের পুরুষ সদস্যরা ধানক্ষেত থেকে দুমড়ে মুচড়ে যাওয়া টিন কাঠ কুড়িয়ে আনছেন। এ দুই পরিবার সরকারিভাবে ২ বান্ডিল করে টিন ও নগদ ৬ হাজার করে আর্থিক সহায়তা পেয়েছে। কিন্তু প্রয়োজনীয় টাকার অভাবে ঘর তুলতে পারছে না। জেলায় ক্ষতিগ্রস্ত ২৮৭টি ঘরবাড়ি মধ্যে ৬৫টি ঘর সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়।

মিনারা বেগম বলেন, ‘সরকার আমাদের দুই বান টিন আর ছয় হাজার টাকার চেক দিয়েছে। এই টাকা দিয়ে আমরা কি আর ঘর দিতে পারি’।

এদিকে মেঘনায় ট্রলার ডুবিতে নিখোঁজ ১১ জনের মধ্যে ১০ জনের লাশ উদ্ধার হয়েছে। এখনও নিখোঁজ নাসিমের অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন তার স্বজনরা।

খাদ্যসামগ্রীর পাশাপাশি ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে গৃহনির্মাণ সামগ্রী সহায়তা দিয়েছেন জেলা প্রশাসক।

ভোলার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক বলেন, যারা গৃহহীন বা যাদের জমি নাই। তারা যেনো উপজেলা নির্বাহী অফিসের কাছে এসে দরখাস্ত দেয়। আমরা সঙ্গে সঙ্গে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে দেড় লক্ষ টাকার ঘর দিবো। 

জেলার ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে ৪শ' মেট্রিক টন চাল, ৩শো বান্ডিল টিন ও নগদ প্রায় ১০ লাখ টাকা বিতরণ করা হয়েছে। আর ট্রলার ডুবিতে নিহত প্রতি পরিবারকে ২৫ হাজার করে টাকা দেয়া হয়েছে।