SomoyNews.TV

পশ্চিমবঙ্গ

আপডেট- ১০-১১-২০১৯ ১৩:১৯:৫৩

বুলবুলের তাণ্ডবে লন্ডভন্ড উত্তর-দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা

bulbul

বুলবুলের তাণ্ডবে লন্ডভন্ড উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার উপকূলবর্তী এলাকা এবং সুন্দরবনের একাংশ। কোথায় ভেঙে পড়েছে বাড়ি, কোথায় গাছ। গাছ পড়ে মৃত্যু হয়েছে এক গৃহবধূর। প্রায় দেড় লাখ মানুষকে নিরাপদস্থানে সরিয়ে নেয়া হয়েছে ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের আঘাত হানার আগেই। ওদিকে কলকাতায় বেশ কিছু এলাকার গাছ ভেঙে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। নিচু এলাকায় জমেছে পানিও।

আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বভাবের যে অনেক অংশের নির্ভল ছিল সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। ঘণ্টায় ১১০ থেকে বেড়ে কোথাও ১২০ কিলোমিটার বেগে আঘাত হানে বুলবুল।  কাকদ্বীপ-সাগরদীপ, নামখানা, ফ্রেঞ্জুগঞ্জ, বসিরহাট, হিঙ্গলগঘঞ্জ, সন্দেশখালি, হাসনাবাদে বুলবুল তাণ্ডব চালায় নিজের ছন্দে। গাছ ভেঙে পড়ে বসিরহাটের খোকনা গ্রামে মৃত্যু হয় এক গৃহবধূর। বুলবুলের তাণ্ডবে ভেঙে পড়েছে বহু কাঁচা ঘরবাড়ি, নষ্ট হয়েছে বহু জমির ফসল। ভারতীয় সময় রাত দশটা থেকে বুলবুল  রাত সাড়ে ১২টা পর্যন্ত তার তাণ্ডবলীলা চালায়। এরই গতিবেগ কমে গিয়ে বাংলাদেশে উপকূলে প্রবেশ করে বুলবুলর মূল অংশ। 

রাত ১টা পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্য সরকারের সচিবালয় নবান্নে উপস্থিত থেকে পরিস্থিতি নজরদারি করেন। একইভাবে কলকাতা পৌরসভা থেকেও মেয়র ফিরহাদ হাকিমও বুলবুলের উপর নজর রেখেছেন গভীর রাত পর্যন্ত।

রোববার( ১০ নভেম্বর)  সকালে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কথা বলেন। ফোনে তিনি ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের ক্ষয়ক্ষতির খবর নেন এবং সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।