SomoyNews.TV

শিক্ষা সময়

আপডেট- ০৭-১১-২০১৯ ১৯:১২:৫১

নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে জাবিতে আন্দোলন চলছে

ju

মিছিল-সমাবেশের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে উপাচার্য ড. ফারজানা ইসলামের পদত্যাগ দাবিতে আজও বিক্ষোভে উত্তাল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়। অচল হয়ে পড়েছে শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম। আন্দোলনকারীরা বলছেন, ক্যাম্পাসের সব সুযোগ সুবিধা বন্ধ করেও তাদের আন্দোলন দমানো যাবে না। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির দুর্নীতি তদন্তে আচার্যের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন শিক্ষকরা।

মিছিল, সভা-সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে উপাচার্যের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে বৃহস্পতিবার দুপুরে বিক্ষোভ মিছিল করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনরত শিক্ষক শিক্ষার্থীরা। ভিসি কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হওয়া মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে গেলে, পুলিশের বিপুল সংখ্যক সদস্য সতর্ক অবস্থান নেয়।

পরে মিছিলটি রেজিস্টার অফিসের দিকে যায়। এ সময় হলসহ ক্যাম্পাসের সব হোটেল বন্ধ করে দেয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কঠোর সমালোচনা করেন শিক্ষার্থীরা।

মিছিল শেষে দুর্নীতি বিরোধী সমাবেশে নানা স্লোগান সংবলিত প্ল্যাকার্ডে নিজেদের দাবির কথা তুলে ধরেন শিক্ষার্থীরা।

এক ছাত্রী বলেন, আমরা কোনোরকম আমাদের থাকার ব্যবস্থা করে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছি এবং চালিয়ে যাবো। দেখি তারা এরপর আর কতটা নিচে নামতে পারে।

এক ছাত্র বলেন, স্বল্প খাবার নিয়ে আমরা তিন চারজন কোনোমতে ভাগাভাগি করে খাচ্ছি। আমাদের আন্দোলন দমাতে পারেনি এবং পারবেও না।

এদিকে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে রেজিস্টার ভবন ও উপাচার্যের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন আন্দোলনরত শিক্ষকরা। তাদের দাবি, ভিসির দুর্নীতির বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরুর পর তার আক্রমণাত্মক আচরণই প্রমাণ করে তিনি দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত।

এক শিক্ষক বলেন, যারা এখান থেকে আর্থিকভাবে সুবিধা পেয়েছেন তারা নিজের মুখে স্বীকার করেছেন। এরপর আর কি প্রমাণ লাগে।

আরেক শিক্ষক বলেন, তদন্ত হলে বিষয়টা পরিস্কার হয়ে যেতো। সেটা না করে এখন বিষয়টাকে অভিযোগের পর্যায়ে নিয়ে গিয়ে আমাদের বলা হচ্ছে প্রমাণ দিতে। আমি কী গোয়েন্দা?

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোক্টর আ স ম ফিরোজ-উল-হাসান দাবি করেন, আন্দোলনে কয়েকটি রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ছাড়া এখন আর কোনো সাধারণ শিক্ষার্থী জড়িত নেই।

এদিন, ভিসিপন্থী শিক্ষক বা শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসে দেখা যায়নি।