SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon মহানগর সময়

আপডেট- ০৭-১১-২০১৯ ০৪:৪১:৩১

এনবিআরের ডাকে সাড়া নেই করদাতাদের

vat-hisab1

বছরে ৫ কোটি টাকার বেশি পণ্য বিক্রেতা বা সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের এনবিআর অনুমোদিত ভ্যাট সফটওয়্যারে হিসাব রাখা বাধ্যতামূলক হলেও সাড়া নেই করদাতাদের। এনবিআর বলছে, নানা অজুহাতে, সফটওয়্যার নিতে গড়িমসি করছে বড় প্রতিষ্ঠানগুলো। আর করদাতারা বলছেন, অল্প সময়ে এই সফটওয়্যার স্থাপন সম্ভব নয়। 

বর্তমানে ম্যানুয়াল রেজিস্ট্রার ও কম্পিউটারে দুইভাবেই পণ্য বা সেবার ক্রয় ও বিক্রয়ের হিসাব সংরক্ষণ করা যায়। যা দাখিল করতে হয় ভ্যাটের রিটার্নের সঙ্গে। কিন্তু এখনো ভ্যাট ব্যবস্থা অটোমেটেড না হওয়ায় করদাতাদের প্রদত্ত হিসাবের যথার্থতা সরাসরি যাচাই করতে পারে না জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এনবিআর। এই প্রেক্ষিতে নতুন ভ্যাট আইন বাস্তবায়ন এবং ভ্যাট ফাঁকি রোধে বড় করদাতাদের জন্য সেপ্টেম্বর থেকে নির্দিষ্ট সফটওয়্যারে হিসাব সংরক্ষণ বাধ্যতামূলক করেছে সংস্থাটি। কিন্তু সফটওয়্যার নিতে আগ্রহ নেই অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের।

এ প্রসঙ্গে ভ্যাট অনলাইনের প্রকল্প পরিচালক সৈয়দ মুশফিকুর রহমান বলেন, অনেকেই অপেক্ষায় আছে এনবিআরের স্থগিতাদেশের জন্য। তারা ভাবছে এটা যতদিন না নিয়ে থাকা যায় আর কি। 

করদাতারা বলছেন, সফটওয়্যারে বৈশিষ্ট্যগুলো বেশ জটিল হওয়ায় এটি বাস্তবায়নে সময় লাগবে।

এ প্রসঙ্গে বার্জার পেইন্টের হেড অব ভ্যাট মো. আব্দুস সবুর বলেন, যে শর্তগুলো এখানে দেয়া হয়েছে সেটা ধারাবাহিকভাবে করা উচিত। সেটাকে খুচরা থেকে আস্তে আস্তে সব পর্যায়ে ছড়িয়ে দিতে হবে। সময় বেঁধে দিয়ে আসলে এ কাজটা করানো কষ্টকর। 

ভ্যাট সফটওয়্যারে হিসাব সংরক্ষণ না করলে জরিমানার বিধান থাকলেও এখন করদাতাদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে বলে জানান কমিশনার শাওকাত হোসেন।

তিনি বলেন, আমরা সবাইকে চিঠি দিয়েছি এটা ক্রয় করার জন্য। আমরা চাইলে আজকেই তাদের শোকজ করে জরিমানা করতে পারি। 

এনবিআরের তালিকাভুক্ত ১৩টি প্রতিষ্ঠান থেকে বা এ সংক্রান্ত কমিটি অনুমোদিত সফটওয়্যার কিনতে হবে করদাতাদের। যা সংযুক্ত থাকবে এনবিআরের ডাটা সেন্টারের সঙ্গে। চাইলেই সফটওয়্যারে ঢুকে হিসাব নিরীক্ষা করতে পারবে এনবিআর।