SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon মহানগর সময়

আপডেট- ০৬-১১-২০১৯ ১৭:৪৯:৪৬

খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ, নজর এবার পুষ্টিতে

hasina

দেশে শিল্পায়ন জরুরি, তবে তা কোনোভাবেই ফসলি জমি নষ্ট করে নির্মাণ না করতে সাফ জানিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, সুনির্দিষ্ট জায়গার বাইরে কোথাও শিল্প ও কলকারখানা স্থাপন করা যাবে না।

বুধবার (০৬ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সহযোগী সংগঠন কৃষকলীগের সম্মেলন উদ্বোধন করে এ কথা বলেন তিনি। শেখ হাসিনা জানান, খাদ্য নিরাপত্তা অর্জনের পর এখন সরকারের চ্যালেঞ্জ, মানুষের পুষ্টি চাহিদা নিশ্চিত করা।

কৃষকের বাড়ি, আছে খামারও। বাজারে বাহারি পদের সবজির পসরা সাজিয়ে সানন্দে তা বিক্রি করছেন কৃষাণ কৃষাণি। আঙ্গিনায় শোভা পাচ্ছে, চাষাবাদে ব্যবহৃত আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতিও। এমন আদলেই প্রস্তুত আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন কৃষকলীগের সম্মেলন মঞ্চ।

বুধবার সকাল ১১টায় ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্যে দিয়ে শুরু হয় আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন কৃষকলীগের ১০ম সম্মেলন।
এরপরই, সম্মেলন মঞ্চে আসেন আওয়ামী লীগ সভাপতি, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দেশগান, আর নৃত্যের তালে সাংস্কৃতিক আয়োজনে শুরু হয় সম্মেলনের প্রথম অধিবেশনের আনুষ্ঠানিকতা।

উদ্বোধনী আয়োজনে দলীয় প্রধান কৃষকদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন। বলেন, সরকারের নানামুখী প্রচেষ্টায় দেশ আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ, লক্ষ্য এবার পুষ্টি চাহিদা পূরণ।

তিনি বলেন, 'আমাদের দেশ, আমরা উন্নত হবো, শিল্পায়নে যাবো। কিন্তু কৃষককে ত্যাগ করে নয়, কৃষিকে ত্যাগ করে নয়। আমাদের কৃষি জমি বাঁচাতে হবে। প্রায় ১৬ কোটি মানুষকে আমাদের খাবার দিতে হবে। এখন আমরা খাবার দিতে পারি; খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। এখন আমরা পুষ্টির দিকে নজর দিয়েছি।

বিএনপি'র শাসনামলে দেশ সব খাতেই পিছিয়ে গিয়েছিল উল্লেখ করে, বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, দেশের সমৃদ্ধির জন্যই কৃষিজমি রক্ষা করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'লক্ষ রাখতে হবে, আমরা কোনো আবাদি জমি নষ্ট করবো না এবং কানো জমি পড়ে থাকবে না। তাহলে বাংলাদেশের যত মানুষই হোক তাদের খদ্য নিরাপত্তা দিতে আমাদের কোনো কষ্ট হবে না। কারণ, আমাদের জমি অনেক উর্বর।

১৯৯৬ সালে বিশ্বব্যাংকের পরামর্শ উপেক্ষা করে কৃষি ভর্তুকি চালুর কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, শত বাধা পেরিয়ে কৃষি খাতকে আধুনিক করা হচ্ছে।

পরে, সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে কাউন্সিলরদের নাম প্রস্তাবের ভিত্তিতে সমীর চন্দ'কে সভাপতি ও অ্যাডভোকেট উম্মে কুলসুম'কে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ঘোষণা করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।