SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon বাংলার সময়

আপডেট- ২২-১০-২০১৯ ০২:০১:৩৮

চিত্রা খননে কোটি কোটি টাকা খরচেও মিলছে না সুফল

আটম-স-এক-সড়ক-ই-৪৩-জন-ন-হত

চার বছর আগে খুলনার তেরখাদা উপজেলার চিত্রা নদী খনন কাজ শেষ হলেও প্রবাহমান না থাকায় কোটি কোটি টাকা খরচ করেও এর সুফল পাচ্ছেন না প্রান্তিক চাষিরা। এতে উপজেলার হাজার হাজার একর কৃষি জমি এখনও পানিতে ডুবে রয়েছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, নদী খনন নিয়ে স্থানীয় কৃষকরা আশায় বুক বাঁধলেও দীর্ঘ চার বছরেও কৃষিতে ঘুরে দাঁড়াতে পারেননি তারা।

এছাড়া চিত্রা নদীর সঙ্গে সংযোগ আঠারোবেকী নদী খনন কাজের সময় বৃদ্ধি করেও এখনও কাজ শেষ করতে পারেনি।

নদ-নদী ভরাট হয়ে যাওয়ায় খুলনার তেরোখাদা উপজেলার খতিয়ার বিল, কোলা বিল ও বাসুয়াখালী বিলে দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে। এ বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে ২০১৫ সালে নড়াইলের নবগঙ্গা থেকে খুলানার তেরোখাদার চিত্রা নদী পর্যন্ত ২৯ কিলোমিটার খনন করার উদ্যোগ নেয় পানি উন্নয়ন বোর্ড। 

প্রকল্পের কাজ চার বছর আগে শেষ হলেও কৃষি কাজে কোনো প্রভাব ফেলতে পারেনি। বিলের কিছু জমি পানি মুক্ত হলেও এখনো বৃহৎ একটি অংশ পানিতে ডুবে আছে। উপরন্তু খনন করা নদীতে কচুরিপনা ও আবর্জনা পড়ে ভরাট হওয়ার উপক্রম। 

এছাড়া নদীর পানি ব্যবহার করে পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, নদী খনন করায় সুফল আমরা পাচ্ছিনে। খনন ভালো করে করতে হবে যাতে পানি সরে যেতে পারে।

অপরদিকে খননের পর নদী থেকে উত্তোলিত মাটি নদীর পাড়ে রাখায় মাটি আবার নদীতে পড়ে ভরাট হচ্ছে বলে জানান স্থানীয়রা। পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্মকর্তা বলেছেন, রূপসার আঠারোবেকি নদী খনন কাজ শেষ হলে চিত্রা নদীতে জোয়ার-ভাটা থাকবে।

খুলনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শরিফুল ইসলাম বলেন, ভুতিয়ার বিল প্রকল্পের আওতায় ৪৯ দশমিক ২৫ কিলোমিটার আঠারোবেকি নদী খনন এবং ২৯ দশমিক ১৫ কিলোমিটার চিত্রা নদী পুনঃখননের সঙ্গে আরও কিছু কিছু কাজ আছে, যেমন ৩৩টি খাল ১১৭ পয়েন্ট ২৫ কিলোমিটার খননের জন্যে প্রকল্পের আওতাভুক্ত করি।  

নড়াইলের নবগঙ্গা থেকে খুলনার আঠারোবেকি নদী পর্যন্ত দুটি প্রকল্পে ১৫৫ কোটি টাকা ব্যয়ে দীর্ঘ ৭৬ কিলোমিটার নদী খনন কাজ করছে পানি উন্নয় বোর্ড।