SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon খেলার সময়

আপডেট- ১০-১০-২০১৯ ১৫:১৫:৩৩

সমস্যার অন্ত নেই মানিকগঞ্জের ক্রীড়াঙ্গনে

football

নানা সমস্যায় জর্জরিত মানিকগঞ্জের ক্রীড়াঙ্গন। জেলায় নেই কোনো ক্রিকেট খেলার উপযোগী মাঠ। সুইমিং, জিমনেশিয়াম, ইনডোর, অনুশীলন মাঠসহ নানা উপকরণের অভাবে ব্যাহত হচ্ছে খেলাধুলা। আর এ কারণেই প্রতিভা থাকা সত্ত্বেও উঠে আসবেনা নতুন খেলোয়াড়, মনে করেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার সম্পাদক।

দীর্ঘদিনের পুরানো মানিকগঞ্জ শহীদ মিরাস-তপন স্টেডিয়াম। জেলা ক্রীড়াঙ্গণের একমাত্র সবেধন নীলমণি। বছরব্যাপী বিভিন্ন গোল্ডকাপ টুর্নামেন্টসহ, ছেলে-মেয়েদের বয়সভিত্তিক ফুটবল খেলার জন্য ব্যবহার করা হয় মাঠটি। এক ফোঁটা বিশ্রামের স্বস্তি নেই স্থাপনাটির। যে কারণেই, পুরানো গ্যালারিগুলো এখন ধ্বংসপ্রায়। সংস্কারের অভাবে দর্শক বসার উপযোগিতা হারিয়েছে বহু আগেই।

গোদের ওপর বিষফোড়া হয়ে গেছে এখন জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন মেলা। খেলা না থাকলে, সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠ চিড়ে বসানো হয় বিভিন্ন স্টল আর আনন্দ-বিনোদনের উপকরণ। এতে বছর ব্যাপী অনুশীলনের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয় যুব সমাজ।

স্থানীয় খেলোয়াড় জানান, বছরের পুরো সময়ে ফুটবল নিয়ে ব্যস্ত থাকে। আমাদের ক্রিকেট খেলার জন্য সেভাবে দেওয়া হয় না।

একজন ক্রিকেটার বলেন, টানা বৃষ্টি হলো আমরা কোন প্র্যাকটিস করতে পারি নাই। যদি একটা ইনডোর স্টেডিয়াম থাকতো তাহলে ওইখানে প্র্যাকটিস করা যেতো।

মাঠ ছাড়াও, জেলাটিতে নেই ক্রীড়া উপযোগী কোনো আধুনিক স্থাপনা এবং উপকরণ। জিমনেশিয়াম, সুইমিং পুল, কিংবা ইনডোর সুবিধাদি এখনো দূরের স্বপ্ন। তাই প্রতিভা থাকলেও উঠে আসছে না নতুন কোনো খেলোয়াড় মত স্থানীয় কোচ এবং সংগঠকদের।

স্থানীয় কোচ বলেন, ফুটবল, ক্রিকেট, বাস্কেট বল, হকিসহ সব একটা স্টেডিয়ামে হয়। এখানে মাঠের অভাবে সেভাবে ক্রিকেটার তৈরি হচ্ছে না।

মানিকগঞ্জের জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক সুদেব সাহা বলেন, মানিকগঞ্জের অনেক খেলা-ধূলা হয়। কিন্তু সেভাবে আমরা খেলোয়াড়দের সুযোগ সুবিধা দিতে পারি না।

১৯৭১ সালে মহকুমা ক্রীড়া সমিতি নামে যাত্রা শুরু করলেও, ১৯৮৪ সাল থেকে মানিকগঞ্জ জেলা ক্রীড়া সংস্থা নামে পরিচালিত হচ্ছে এখানকার কার্যক্রম।