SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon খেলার সময়

আপডেট- ১০-১০-২০১৯ ০১:৫৬:৪৬

ক্যাসিনো ঝড়ে আসন্ন প্রিমিয়ার লিগে দল গড়াতে ভোগান্তিতে পড়েছে আরামবাগ

casino-aram

স্থানীয় ওয়ার্ড কমিশনার ও যুবলীগ নেতা মুমিনুল হক সাঈদ নিয়ন্ত্রণে নেয়ার পর থেকেই, বদলে যায় আরামবাগ ক্রীড়াসংঘের দীর্ঘদিনের কার্যক্রম। ক্লাবে ক্যাসিনো স্থাপন করে ফুটবলারদের সরিয়ে নেয়া হয় অন্যত্র। সম্প্রতি ক্যাসিনো ঝড়ের পর, আবারো ক্লাবটির দায়িত্বে ফিরতে চান পুরনো সংগঠকরা। তবে বর্তমানে ক্লাব বন্ধ থাকায়, আসন্ন প্রিমিয়ার লিগে দল গড়তে বড় ধরণের ভোগান্তিতে পড়ছেন তারা। 

চারপাশে সুনসান নীরবতা। কান পেতে শুনলে ষাট দশকের পুরনো একটি ক্লাবের চাপা আর্তনাদ শুনতে পাবেন।

ক্যাসিনো কাণ্ডের পর বড়সড় একটা ঝড় বয়ে গেছে আরামবাগ ক্রীড়াসংঘের ওপর। ঝুলছে তালা, বন্ধ ক্লাবের সব কার্যক্রম। আগে ক্রীড়া সংগঠকরাই পরিচালনা করতেন ক্লাবটি। তবে স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর মুমিনুল হক সাঈদ ক্লাব দখল করার পরই, পাল্টে যায় চিত্র। ক্যাসিনো কেলেঙ্কারির হোতারাই ক্লাবটিকে ঠেলে দিয়েছে ধ্বংসের মুখে, বলছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় দর্শকরা বলেন, আগে আমরা টিকিট কেটে খেলা দেখতে যেতাম কিন্তু এখন তো আর সে সুযোগ নেই। তবে আমরা চাই নতুন করে আবার ক্লাবটি ঘুরে দাড়াক।

ক্লাবঘরটা বেশ লম্বা চওড়া। সেখানেই থাকতেন ফুটবলাররা। ক্যাসিনো চালুর পর গেল বছর থেকে ফুটবলাররা ক্লাবের বাইরে। ক্যাসিনোর অঢেল আয় থেকে ক্লাবের পেছনে ব্যয়ও করতেন মুমিনুল হক সাঈদ।

আরামবাগের সাবেক ফুটবলার রবিউল হাসান বলেন, প্রথম দুই সিজন আমরা ক্লাবেই ছিলাম, পরবর্তীতে আমাদেরকে ফকিরাপুল একটা ফ্ল্যাট বাসায় আনা হয়। 

ঘরোয়া ফুটবলে নতুন মৌসুম কড়া নাড়ছে। বছরের শুরুতেই প্রিমিয়ার লিগ, অক্টোবর মাসজুড়ে চলছে দলবদল। অন্যান্য ক্লাবগুলো যখন ঘর গোছাচ্ছে, আরামবাগে তখন তালা ঝুলছে। ক্যাসিনো কান্ডের পর গা ঢাকা দিয়েছেন ক্লাবটির প্রেসিডেন্ট মুমিনুল হক সাঈদ। ক্যাসিনো ঝড়ের পর এবার দল গোছাতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে আরামবাগকে।

আরামবাগ ক্রীড়াসংঘের সংগঠক এজাজ মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর বলেন, গত বছর যে দলটি করা হয়েছিল, সেটা অনেক ভালো দল ছিলো। কিন্তু বর্তমান সিচ্যুয়েশনে এটা আর করা সম্ভব না। ক্লাবের কোনো ইনকাম এখন নাই।

গেল মৌসুমে স্বাধীনতা কাপে চ্যাম্পিয়ন হয় আরামবাগ ক্রীড়াসংঘ।